এই পর্বে যা শিখবেন
- একাধিক network কেন লাগে, আর কোন পরিস্থিতিতে কোন জোড়া বেছে নেবেন
- Peering-এর তিন নিয়ম, full mesh আর transit hub-এর link ও খরচের হিসাব
- VPN-এর দুই tunnel, BGP-র failover আর tunnel-এর সীমা
- VPN আর dedicated link-এর break-even, আর দুই link-এর availability
- Gateway endpoint, private endpoint, PrivateLink ধরনের service আর shared VPC-র তফাত
- “পৌঁছাচ্ছে না” সমস্যা ধাপে ধাপে খোঁজা, আর AI-এর দেওয়া network নকশা যাচাই
১ · একটি VPC-তে সব রাখা যায় না কেন
পর্ব ২৫ থেকে পর্ব ২৭-এ আমরা একটি VPC সাজিয়েছি: তার subnet, route table আর firewall. কিন্তু বাস্তবের প্রতিষ্ঠানে VPC একটি থাকে না। একটি কাল্পনিক অনলাইন বাজার অ্যাপের কথা ভাবুন। তার production আলাদা account-এ, developer-দের পরীক্ষার জায়গা আরেক account-এ, log আর monitoring তৃতীয় জায়গায়। আবার হিসাব বিভাগের পুরোনো server এখনো অফিসের ঘরে।
আলাদা রাখা ভুল নয়, বরং বুদ্ধিমানের কাজ। Dev-এর একটি ভুল production-এ পৌঁছায় না, খরচ আলাদা গোনা যায়, দলগুলো নিজের মতো কাজ করতে পারে। এই বিভাজনের নকশা পর্ব ৩৫-এ আসবে। কিন্তু আলাদা network-গুলোকে কিছু নির্দিষ্ট পথে কথা বলতেই হয়। তিনটি সাধারণ কারণ:
Multi-account
প্রতিটি দল বা environment-এর নিজের account আর VPC. Prod-এর অ্যাপ অন্য দলের API ডাকতে চায়।
VPC ↔ VPCShared services
Log, monitoring, CI runner, image registry এক জায়গায় রেখে সবাই ব্যবহার করে।
একটি কেন্দ্র, অনেক গ্রাহকOn-premises
অফিসের server, ডেটা সেন্টার বা শাখা অফিস cloud-এর সঙ্গে কথা বলে। একেই পর্ব ৩-এ hybrid cloud বলেছি।
অফিস ↔ VPCএর সঙ্গে চতুর্থ একটি প্রশ্ন আছে: provider-এর নিজের service, যেমন object storage, ব্যবহার করতে কি ইন্টারনেটে বের হতেই হবে? এই পর্বের পুরো মানচিত্রটি এক ছবিতে দেখুন।
জোড়ার মানচিত্র
Office, hub, VPCs and a provider service
একটি সতর্কতা আগেই বলি। পথ জোড়া মানেই সবকিছু সবার কাছে খোলা নয়। Route বলে packet কোন দিকে যাবে, firewall বলে ঢুকতে পারবে কি না। পর্ব ২৭-এর security group এই পর্বের প্রতিটি পথেই আলাদা করে খুলতে হবে।
২ · VPC peering — দুই বাড়ির মাঝের গেট
পাশাপাশি দুটি বাড়ি। মালিকেরা একমত হয়ে মাঝের দেয়ালে একটি গেট কাটলেন। এখন রাস্তায় না নেমেই এ বাড়ির লোক ও বাড়িতে যেতে পারে। কিন্তু ও বাড়ির সঙ্গে আরেক প্রতিবেশীর গেট থাকলেও আপনি সেই গেট ব্যবহার করতে পারবেন না। গেটের চুক্তি শুধু দুই বাড়ির মধ্যে।
VPC peering হলো দুটি VPC-র মধ্যে provider-এর ভেতরের network দিয়ে সরাসরি জোড়া। মাঝখানে কোনো gateway যন্ত্র, VPN বা ইন্টারনেট নেই, আর দুই পাশের instance একে অপরের private IP ব্যবহার করে কথা বলে। একই region-এ বিলম্ব প্রায় একই VPC-র মতো থাকে। অনেক provider-এ অন্য region বা অন্য account-এর সঙ্গেও peering করা যায়।
১. Transitive নয়। A–B আর B–C থাকলে A থেকে C-তে যাওয়া যায় না। B কখনো মাঝের রাউটার হয় না। সাধারণত A, B-র internet gateway, NAT বা VPN-ও ধার করতে পারে না।
২. CIDR মিলতে পারবে না। দুই VPC-র CIDR ওভারল্যাপ করলে peering তৈরিই হয় না, কারণ একই ঠিকানা দুই জায়গায় থাকলে route বলতে পারবে না কোনটিতে যেতে হবে। তাই পর্ব ২৫-এর ঠিকানার নকশা এখানে এসে কাজে লাগে। ঠিকানা না ভেবে সব VPC-কে 10.0.0.0/16 দিলে পরে জোড়া দিতে গিয়ে বিপদে পড়বেন।
৩. দুই দিকের route আপনাকেই দিতে হয়। Peering মানে শুধু পথ তৈরি। দুই VPC-র route table-এ অন্য পক্ষের CIDR-এর লাইন যোগ না করলে কোনো packet যাবে না।
এক পক্ষের route থাকলে কী হয়? Request পৌঁছায়, কিন্তু reply ফেরার পথ পায় না। Ping তখন শুধু timeout দেখায়, আর আপনি ভাবেন সব বন্ধ। এটি peering-এর সবচেয়ে সাধারণ ভুল। সঙ্গে security group-ও দেখতে হবে: B-র firewall-এ A-র CIDR থেকে ঢোকার অনুমতি লাগবে।
নিচের checker-টি নিয়ম ১ আর ২ চালিয়ে দেখায়। VPC D-এর CIDR ইচ্ছা করে B-র ভেতরে রাখা হয়েছে।
// Non-transitive peering checker with CIDR overlap and longest-prefix lookup.
const ip = s => s.split('.').reduce((a, b) => a * 256 + Number(b), 0);
const range = c => {
const [a, m] = c.split('/');
const size = 2 ** (32 - Number(m));
return { lo: ip(a), hi: ip(a) + size - 1, bits: Number(m) };
};
const overlap = (x, y) => { const a = range(x), b = range(y); return a.lo <= b.hi && b.lo <= a.hi; };
const vpc = { A: '10.0.0.0/16', B: '10.1.0.0/16', C: '10.2.0.0/16', D: '10.1.128.0/17' };
const peers = new Set();
for (const [x, y] of [['A', 'B'], ['B', 'C'], ['B', 'D'], ['A', 'D']]) {
if (overlap(vpc[x], vpc[y])) { console.log(`peer ${x}-${y}: REJECTED, ${vpc[x]} overlaps ${vpc[y]}`); continue; }
peers.add(x + y); peers.add(y + x);
console.log(`peer ${x}-${y}: active`);
}
// Reachable only over ONE direct peering. No walking through a middle VPC.
const names = Object.keys(vpc);
console.log('\nfrom/to ' + names.join(' '));
for (const x of names) {
const row = names.map(y => (x === y ? '-' : peers.has(x + y) ? 'Y' : 'n'));
console.log(' ' + x + ' ' + row.join(' '));
}
console.log('A to C: ' + (peers.has('AC') ? 'reachable' : 'BLOCKED, A-B and B-C do not chain'));
// A's route table has both B and D. Longest prefix wins.
const routes = ['B', 'D'].map(v => ({ v, ...range(vpc[v]) }));
for (const dst of ['10.1.5.5', '10.1.200.5']) {
const hit = routes.filter(r => ip(dst) >= r.lo && ip(dst) <= r.hi)
.sort((p, q) => q.bits - p.bits)[0];
console.log(`A sends ${dst} to VPC ${hit.v} (/${hit.bits})`);
}আউটপুটের প্রথম অংশে peer B-D: REJECTED, 10.1.0.0/16 overlaps 10.1.128.0/17 এসেছে, কারণ D-এর পুরো ঠিকানা B-র ভেতরে। ছকে A-র সারি হলো - Y n Y: A পৌঁছায় B আর D-তে, C-তে নয়। পরের লাইন বলছে A to C: BLOCKED, A-B and B-C do not chain.
শেষ দুই লাইন সূক্ষ্ম। A-এর peering B আর D দুজনের সঙ্গেই আছে, যদিও B আর D ওভারল্যাপ করে। তখন longest prefix match-এর কারণে A sends 10.1.200.5 to VPC D (/17). অর্থাৎ B-র ওপরের অর্ধেক ঠিকানায় A আর পৌঁছাতে পারে না, আর কোনো error-ও আসে না। Provider সব ক্ষেত্রে এটি আটকায় না, তাই নকশার সময়েই ঠিকানা আলাদা রাখুন।
Link-এর গুনতি: n(n−1)/2
Transitive নয় বলে প্রতিটি VPC-কে প্রতিটির সঙ্গে আলাদা peering করতে হয়। একে বলে full mesh. n-টি VPC-র প্রতিটি বাকি (n−1)-টির সঙ্গে জোড়া, আর প্রতিটি link দুবার গোনা হয়ে যায়, তাই ২ দিয়ে ভাগ।
৫ → ১০ · ১০ → ৪৫ · ২০ → ১৯০ · ৫০ → ১,২২৫
৫টি VPC পর্যন্ত এটি সামলানো যায়। ৫০টিতে ১,২২৫টি peering, প্রতিটিতে দুই পাশের route. তার ওপর provider-ভেদে প্রতি VPC-তে peering-এর সংখ্যার সীমা (quota) থাকে, আর route table-এর আকারেরও সীমা থাকে। লেখার সময়ের সীমা provider-এর নথিতে দেখে নিন, কারণ এগুলো বদলায়।
একই ৫টি VPC, দুই নকশা
Peering full mesh vs transit hub
৩ · Transit hub — সদরঘাটের মতো এক কেন্দ্র
দক্ষিণের প্রতিটি নদীবন্দর থেকে প্রতিটি নদীবন্দরে সরাসরি লঞ্চ চালালে কত লঞ্চ লাগত, ভাবুন। তার বদলে সবাই সদরঘাটে আসে, সেখান থেকে অন্য লঞ্চ ধরে। লাইনের সংখ্যা অনেক কমে। বদলে ঘাটে টোল দিতে হয়, আর সদরঘাট বন্ধ হলে সবাই আটকে যায়।
Transit hub (AWS-এ Transit Gateway) হলো provider-এর চালানো একটি কেন্দ্রীয় রাউটার। প্রতিটি VPC, VPN আর dedicated link হাবের সঙ্গে একটি করে attachment দিয়ে জোড়ে। এই গড়নকে বলে hub-and-spoke: মাঝে hub, চারপাশে spoke. Peering-এর সঙ্গে তিনটি বড় তফাত আছে।
- Transitive: Hub নিজেই রাউটার, তাই A থেকে C-তে যাওয়া যায়।
- নিজের route table: Hub-এ একাধিক route table রেখে ঠিক করা যায় কে কার সঙ্গে কথা বলবে। একে network segmentation বলে। Dev আর prod একই hub-এ জোড়া থেকেও একে অপরকে না দেখার মতো করে সাজানো যায়।
- দুই রকম খরচ: সাধারণত প্রতি attachment-এ ঘণ্টাভিত্তিক ভাড়া, আর hub-এর ভেতর দিয়ে যাওয়া প্রতি GB-তে processing charge. Peering-এ সাধারণত শুধু data transfer-এর খরচ থাকে। পর্ব ৭২-এ বিলের এই অংশ আবার আসবে।
নিচে দেখুন, দুই spoke-এর মধ্যে একটি packet কোন কোন route table পার হয়। মনে রাখুন, প্রতিটি মোড়ে সিদ্ধান্ত নেয় সেই জায়গার route table.
- VPC-A
10.1.0.0/16প্রেরক - Hub
prod-rtকেন্দ্র - VPC-B
10.2.0.0/16প্রাপক
| কোথায় | |
| Packet | |
| Route table | |
| সিদ্ধান্ত | |
| Hub মিটার |
- পাঠানো শুরু। VPC-A-র instance
10.1.0.5থেকে VPC-B-র10.2.0.9-তে ১ GB ডেটা যাবে। দুটিই private IP, আর পথের কোথাও এই ঠিকানা বদলাবে না। - Subnet-এর route table. গন্তব্য নিজের
10.1.0.0/16-এর মধ্যে পড়ে না।10.0.0.0/8লাইনটি মেলে, অর্থাৎ কোম্পানির সব ঠিকানার packet hub-এ যাবে। একটি সারাংশ-লাইনেই বাকি সব VPC ধরা পড়ল। - Hub-এর route table. এখানে দুটি লাইনের মধ্যে
10.2.0.0/16মেলে, তাই packet যায়attach-B-তে। ডেটা hub-এর ভেতর দিয়ে গেল, মিটারে উঠল ১ GB. ধরে নেওয়া GB-প্রতি $০.০২ হলে খরচ $০.০২। - VPC-B-তে পৌঁছানো। VPC-B-র
localroute packet-কে instance পর্যন্ত নিয়ে গেল। B-র security group-এ10.1.0.0/16থেকে ঢোকার অনুমতি ছিল। না থাকলে পথ ঠিক থেকেও এখানে packet আটকে যেত। - Reply-র ফেরা। VPC-B-র route table-এও hub-এর লাইন লাগে। Hub এবার
attach-Aবেছে নিল। ধরে নিন reply ০.০১ GB, তাই মিটার ১.০১ GB. এই লাইন না থাকলে request পৌঁছাত, reply আসত না। - Segmentation. এবার dev-এর VPC-C থেকে prod-এর VPC-B-তে packet এলো। VPC-C যে hub route table-এ বাঁধা, সেখানে শুধু নিজের আর shared service-এর লাইন আছে।
10.2.0.0/16নেই, তাই packet drop. দুজনেই একই hub-এ, কিন্তু দেখা হয় না।
এবার সংখ্যায় দেখি। প্রতিটি দাম এখানে ধরে নেওয়া গোল সংখ্যা, আসল দাম provider-এর pricing পাতায় দেখুন। ধরে নিই প্রতি VPC মাসে ১,০০০ GB অন্য VPC-তে পাঠায়।
// Full mesh vs transit hub as VPCs grow. ALL prices are ASSUMED round numbers.
const HOURS = 720; // 30-day month
const ATTACH_HOUR = 0.05; // hub: $ per attachment per hour
const HUB_GB = 0.02; // hub: $ per GB processed
const PEER_GB = 0.01; // peering: $ per GB of data transfer
const GB_PER_VPC = 1000; // each VPC sends this much to other VPCs
const PEER_LIMIT = 50; // assumed quota: peerings per VPC
const pad = (v, w) => String(v).padStart(w);
console.log('VPCs links routes peer$ hub-fix$ hub-data$ hub$ quota');
for (const n of [2, 3, 5, 10, 20, 50, 100]) {
const links = n * (n - 1) / 2;
const routesPerVpc = n - 1; // one route per other VPC
const peerBill = n * GB_PER_VPC * PEER_GB;
const hubFixed = Math.round(n * ATTACH_HOUR * HOURS);
const hubData = n * GB_PER_VPC * HUB_GB;
const hubBill = hubFixed + hubData;
const quota = n - 1 > PEER_LIMIT ? 'OVER' : 'ok';
console.log(pad(n, 4), pad(links, 6), pad(routesPerVpc, 7), pad(peerBill, 6),
pad(hubFixed, 9), pad(hubData, 10), pad(hubBill, 6), pad(quota, 6));
}
// Work needed to add ONE more VPC when n already exist
const n = 20;
console.log('\nAdd VPC number ' + (n + 1) + ' to ' + n + ' existing:');
console.log(' mesh: ' + n + ' new peerings, ' + 2 * n + ' route entries, in ' + (n + 1) + ' VPCs');
console.log(' hub : 1 new attachment, 1 route in the new VPC, hub learns the rest');২০ VPC-র সারি: 20 190 19 200 720 400 1120 ok. Peering-এর বিল $২০০, hub-এর $১,১২০. খেয়াল করুন, টাকার হিসাবে peering প্রতিটি সারিতেই সস্তা। Hub-এর পক্ষে যুক্তি টাকায় নয়, কাজের জটে: ১৯০টি link-এর বদলে ২০টি attachment, আর প্রতি VPC-তে ১৯টি route-এর বদলে একটি সারাংশ-লাইন। ১০০ VPC-তে কলামে OVER আসে, কারণ ৯৯টি peering ধরে নেওয়া সীমা ৫০ ছাড়িয়ে যায়।
শেষ লাইনগুলো রোজকার অভিজ্ঞতা: নতুন একটি VPC যোগ করতে mesh-এ 20 new peerings, 40 route entries, in 21 VPCs, hub-এ একটি attachment. ২১টি VPC-র মালিক আলাদা দল হলে কতজনের অনুমতি লাগবে, ভাবুন।
আগে বড় প্রতিষ্ঠানগুলো “transit VPC” বানাত: একটি VPC-তে নিজের virtual router চালিয়ে বাকি সবাইকে VPN দিয়ে তার সঙ্গে জুড়ত। সেই router সামলানোর দায় ছিল নিজের ঘাড়ে। ২০১৮ সালের re:Invent সম্মেলনে AWS Transit Gateway ঘোষণা করে, আর একই কাজ managed service হয়ে যায়। Azure-এ Virtual WAN আর Google Cloud-এ Network Connectivity Center একই চাহিদার উত্তর, যদিও ভেতরের নিয়ম মিলে যায় না।
তাহলে কত VPC-তে hub নেবেন? নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই। অনেক দল ৩–৫টিতে peering-ই রাখে, আর on-premises যোগ হলে, কেন্দ্রীয় firewall লাগলে বা ১০-এর কাছাকাছি গেলে hub ভাবে। মিশ্র নকশাও চলে: সাধারণ traffic hub দিয়ে, আর দুই VPC-র মধ্যে খুব ভারী ডেটা সরাসরি peering দিয়ে, যাতে per-GB charge বাঁচে। Hub সাধারণত একটি region-এর সম্পদ, আর অন্য region-এর hub-এর সঙ্গে আলাদা করে জুড়তে হয়। Hub-এর ভুল route table গোটা প্রতিষ্ঠানে ছড়ায়, তাই তার blast radius বড়।
৪ · VPN — পাবলিক রাস্তায় তালা-দেওয়া ক্যাশ ভ্যান
ব্যাংকের ক্যাশ ভ্যান সবার সঙ্গে একই রাস্তায় চলে, একই জ্যামে পড়ে। কিন্তু ভেতরের জিনিস তালাবন্ধ, বাইরে থেকে দেখা বা বদলানো যায় না। VPN ঠিক এটাই: ইন্টারনেটের সাধারণ রাস্তা, কিন্তু ডেটা encrypted. গোপনীয়তা পাওয়া যায়, জ্যাম থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না।
Site-to-site VPN
Site-to-site VPN জোড়ে পুরো দুটি network: অফিসের router আর cloud-এর VPN gateway. কর্মীদের যন্ত্রে কিছু চালাতে হয় না। অফিসের যেকোনো যন্ত্র cloud-এর private IP-তে পৌঁছায়। কয়েকটি বিষয় জানা দরকার:
- IPsec: এটি IP packet-কে encrypt করে আরেকটি IP packet-এর ভেতরে মুড়ে পাঠায়। ধারণাটি যথেষ্ট: বাইরের খামে দুই VPN যন্ত্রের public IP, ভেতরের খামে আসল private IP. দুই পক্ষ IKE নামের প্রক্রিয়ায় পরিচয় যাচাই করে key ঠিক করে। পুরো গণিত Computer Networks কোর্সে আছে।
- দুটি tunnel: অনেক provider একটি VPN সংযোগেই দুটি tunnel দেয়, যার দুই প্রান্ত cloud-এর আলাদা যন্ত্রে বা zone-এ থাকে। Provider তার একটি যন্ত্রে maintenance চালালে একটি tunnel পড়ে যেতে পারে। তাই দুটিই সাজিয়ে রাখা নিজের দায়িত্ব।
- Bandwidth-এর সীমা: লেখার সময়ে অনেক provider-এ একটি tunnel-এ মোটামুটি এক থেকে কয়েক Gbps-এর সীমা থাকে। আসল গতি নির্ভর করে আপনার ইন্টারনেট আর অফিসের router-এর CPU-র ওপর। কিছু hub একাধিক tunnel-এ ভাগ করে চালাতে পারে, একে বলে ECMP.
- BGP, অল্প কথায়: Route হাতে লিখলে (static) নতুন network যোগ হলে দুই পাশে হাত লাগাতে হয়। BGP-তে দুই পাশের router নিজেরাই জানায়, “আমার কাছে এই এই CIDR আছে।” Tunnel পড়ে গেলে route-ও নিজে থেকে সরে যায়। গভীরে জানতে BGP-র পর্বটি দেখুন।
এবার দেখুন, একটি tunnel পড়লে আসলে কী হয়। ধরে নিই BGP প্রতি ১০ সেকেন্ডে keepalive পাঠায়, আর ৩০ সেকেন্ড কিছু না শুনলে পথ বাতিল করে। এই দুই মান ধরে নেওয়া, যন্ত্র ও সেটিংসভেদে আলাদা হয়।
| সময় | |
| Tunnel 1 (আসলে) | |
| Tunnel 2 | |
| BGP সেশন T1 | |
| Route এখন কোন দিকে | |
| Packet হারানো সময় |
- ১০:০০:০০, স্বাভাবিক। দুই tunnel-ই সচল। BGP দুই পথই জানে, পছন্দের পথ T1. এইমাত্র T1-এ একটি keepalive এসেছে।
- ১০:০০:০৫, T1 পড়ে গেল। Cloud-এর দিকের যন্ত্রে maintenance চলছে। অফিসের router এখনো জানে না, তাই packet T1-এই পাঠাচ্ছে। সেগুলো হারিয়ে যাচ্ছে।
- ১০:০০:২০, চুপচাপ ক্ষতি। ১০:০০:১০ আর ১০:০০:২০-র keepalive আসেনি। ১৫ সেকেন্ড ধরে packet হারাচ্ছে। সমস্যাটি এখানেই: যন্ত্র পড়ে যাওয়া আর সেটি জানার মধ্যে একটি অন্ধ সময় থাকে।
- ১০:০০:৩০, hold timer শেষ। শেষ keepalive-এর পর ৩০ সেকেন্ড পার হলো। Router সেশন বাতিল করে T1-এর route মুছে দিল। হারানো সময় ২৫ সেকেন্ড।
- ১০:০০:৩১, T2-তে গেল। এখন route table-এ শুধু T2-এর পথ। ভেতরের private IP বদলায়নি, তাই অনেক TCP সংযোগ retransmit করে টিকে যায়। ২৬ সেকেন্ড থেমে অ্যাপ আবার চলে। যেসব অ্যাপের timeout এর চেয়ে ছোট, সেগুলো error দেখাবে। Cloud-এর দিকের route-ও একইভাবে বদলাতে হয়।
- ১০:১২:০০, T1 ফিরল। Tunnel আর BGP আবার উঠল, traffic T2-তে থাকবে না T1-এ ফিরবে, তা নীতির ওপর নির্ভর করে। ১২ মিনিট আপনার কোনো বাড়তি পথ ছিল না, তাই tunnel-এর অবস্থার ওপর alert রাখুন।
এই অন্ধ সময় কমানো যায়। Dead peer detection IPsec স্তরে অপর পক্ষের খোঁজ নেয়, আর কিছু যন্ত্রে BFD নামের দ্রুত সংকেত BGP-র সঙ্গে চলে। Static route-এ এমন স্বয়ংক্রিয় সরে যাওয়া নাও মিলতে পারে, তাই failover চাইলে BGP-ই ভালো পথ।
Client VPN
Client VPN জোড়ে একজন মানুষকে: কর্মীর ল্যাপটপে একটি app চলে, আর সেটি VPC-র ভেতরে ঢোকে। Site-to-site পুরো অফিসের জন্য, client VPN বাড়িতে বসা একজনের জন্য। এতে পরিচয় যাচাই (MFA-সহ) জরুরি, কারণ একটি চুরি যাওয়া ল্যাপটপ সরাসরি network-এর ভেতরে চলে আসে। সব provider-এ এটি managed service হিসেবে থাকে না, অনেকে OpenVPN বা WireGuard নিজে চালায়। এখন অনেক দল VPN-এর বদলে পরিচয়ভিত্তিক প্রবেশ নেয়, যেমন পর্ব ১২-এর session manager বা zero trust ধরনের প্রবেশ, কারণ তাতে পুরো network খোলে না, শুধু নির্দিষ্ট কাজটি খোলে। Bastion-ও পুরোনো ও প্রচলিত একটি পথ।
৫ · Dedicated link — নিজের লাইনে মেট্রোরেল
মিরপুর থেকে মতিঝিল বাসে গেলে সময় কখনো ৪০ মিনিট, কখনো দুই ঘণ্টা। মেট্রোরেল সবসময় প্রায় এক সময়ে পৌঁছায়, কারণ তার লাইন আলাদা। সবচেয়ে বড় পার্থক্য গতির গড় নয়, সময়ের নিশ্চয়তা। Dedicated link সেই আলাদা লাইন। AWS-এ Direct Connect, Azure-এ ExpressRoute, Google Cloud-এ Cloud Interconnect.
এটি বসে এভাবে: provider নির্দিষ্ট কিছু colocation ভবনে নিজের router রাখে। আপনার সরঞ্জাম সেই ভবনে পৌঁছালে একটি fiber সরাসরি জুড়ে দেওয়া হয়। আপনি সেখানে না থাকলে একটি partner বা telecom প্রতিষ্ঠান আপনার অফিস থেকে সেখানে পর্যন্ত লাইন ভাড়া দেয়, আর partner-এর মাধ্যমে ছোট গতিতেও সংযোগ নেওয়া যায়। Provider-এর দিকে সংযোগটিও BGP-তে চলে।
| বিষয় | Site-to-site VPN | Dedicated link |
|---|---|---|
| পথ | সাধারণ ইন্টারনেট | ভাড়া করা আলাদা লাইন |
| চালু হতে সময় | কয়েক ঘণ্টা | সাধারণত কয়েক সপ্তাহ বা মাস |
| বিলম্ব আর jitter | ইন্টারনেটের ওপর নির্ভর, ওঠানামা করে | স্থির ও অনুমানযোগ্য |
| গতি | Tunnel-এর সীমা আর আপনার ইন্টারনেট | Port অনুযায়ী, সাধারণত ১ Gbps থেকে অনেক ওপরে; partner-এ ছোটও মেলে |
| Encryption | আছে (IPsec) | সাধারণত নিজে থেকে নেই; ওপরে IPsec বা MACsec লাগে |
| খরচের ধরন | ছোট স্থির খরচ, ইন্টারনেটের egress হার | বড় স্থির খরচ, প্রতি GB-তে কম হার |
“Private” মানে “encrypted” নয়। Dedicated link-এর ডেটা ইন্টারনেটে যায় না, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে লাইনে ডেটা খোলা অবস্থায় থাকে। সংবেদনশীল ডেটা হলে ওপরে TLS, IPsec বা MACsec নিশ্চিত করুন।
VPN বনাম dedicated link: break-even
VPN-এ স্থির খরচ কম, প্রতি GB-র হার বেশি। Dedicated link-এ উল্টো। তাই দুটি খরচ-রেখা একটি বিন্দুতে কাটে, আর সেটিই break-even:
নিচে সব দাম ধরে নেওয়া। মনে রাখুন, সাধারণত cloud থেকে বেরোনো ডেটারই per-GB বিল হয়, ভেতরে ঢোকা ডেটার নয়। তাই V হলো cloud থেকে বাইরে যাওয়া ডেটা।
// VPN vs dedicated link: monthly cost and break-even. ALL prices ASSUMED.
const HOURS = 720, SECONDS = 30 * 24 * 3600;
const vpn = { hour: 0.05, circuit: 0, gb: 0.09 }; // internet egress
const one = { hour: 0.30, circuit: 400, gb: 0.02 }; // 1 Gbps port + local loop
const two = { hour: 0.60, circuit: 800, gb: 0.02 }; // two links for resilience
const fixed = p => p.hour * HOURS + p.circuit;
const bill = (p, gb) => fixed(p) + p.gb * gb;
const breakEven = (a, b) => (fixed(b) - fixed(a)) / (a.gb - b.gb);
console.log('fixed $/mo: vpn', fixed(vpn), ' one', fixed(one), ' two', fixed(two));
console.log(' TB/mo avg-Mbps vpn$ one$ two$ cheapest');
for (const tb of [1, 2, 5, 10, 20, 50, 100]) {
const gb = tb * 1000;
const mbps = (gb * 8000 / SECONDS).toFixed(1); // 1 GB = 8000 Mb
const v = bill(vpn, gb), o = bill(one, gb), t = bill(two, gb);
const best = [['vpn', v], ['one', o], ['two', t]].sort((p, q) => p[1] - q[1])[0][0];
console.log(String(tb).padStart(7), mbps.padStart(9), String(v).padStart(6),
String(o).padStart(6), String(t).padStart(6), ' ' + best);
}
console.log('break-even vpn vs one link :', Math.round(breakEven(vpn, one)), 'GB/mo');
console.log('break-even vpn vs two links:', Math.round(breakEven(vpn, two)), 'GB/mo');
// Peak matters more than average: can one tunnel carry the peak?
const TUNNEL_GBPS = 1.25, PEAK_TO_AVG = 8; // assumed
for (const tb of [20, 100]) {
const avg = tb * 1000 * 8 / SECONDS; // Gbps
const peak = avg * PEAK_TO_AVG;
console.log(`${tb} TB/mo: avg ${avg.toFixed(3)} Gbps, peak ${peak.toFixed(2)} Gbps, ` +
(peak > TUNNEL_GBPS ? 'one tunnel too small' : 'one tunnel fits'));
}স্থির খরচ: fixed $/mo: vpn 36 one 616 two 1232. হাতে মেলান: (৬১৬ − ৩৬) ÷ (০.০৯ − ০.০২) = ৫৮০ ÷ ০.০৭ ≈ ৮,২৮৬ GB, আউটপুটেও break-even vpn vs one link : 8286 GB/mo. দুই link নিলে ১৭,০৮৬ GB.
এই হিসাবে ৫ TB-তে VPN জেতে, ১০ TB-তে একটি link. কিন্তু শেষ দুই লাইন আসল শিক্ষা। ১০০ TB-র গড় মাত্র ০.৩০৯ Gbps, অথচ ধরে নেওয়া peak ২.৪৭ Gbps, তাই one tunnel too small. সিদ্ধান্ত শুধু মাসিক GB দিয়ে হয় না, peak আর স্থির বিলম্বও গুনতে হয়।
দুই link কেন, আর দুই link কখন এক link
একটি dedicated link মানে একটি single point of failure. কেউ রাস্তা খুঁড়তে গিয়ে fiber কেটে ফেললে অফিস আর cloud আলাদা হয়ে যাবে। সাধারণ সমাধান: দুটি আলাদা link, সম্ভব হলে দুটি আলাদা ভবনে। অথবা একটি link আর backup হিসেবে VPN.
হিসাবটি availability থেকে আসে। একটি link ৯৯.৯% সময় চালু থাকলে, আর দুটি একেবারে স্বাধীনভাবে বিকল হলে, দুটি একসঙ্গে বন্ধ থাকার সম্ভাবনা ০.০০১ × ০.০০১ = ০.০০০০০১। অর্থাৎ অন্তত একটি চালু থাকে ৯৯.৯৯৯৯% সময়। এখানে ফাঁদটি হলো “স্বাধীন” শব্দটি। দুই লাইন যদি একই খাল, একই ভবন বা একই সাবমেরিন কেবল দিয়ে যায়, তাহলে একটি ঘটনায় দুটিই যায়। একে বলে correlated failure. কাগজে দুই লাইন, মাটির নিচে এক। তাই লিখিতভাবে জেনে নিন, দুটি পথ আসলে আলাদা কি না। মনে রাখুন, backup VPN-কেও peak সইতে হবে, নইলে failover হয়ে অ্যাপ ধীর হয়ে পড়বে। Failover পর্ব ২৪-এর মতোই নিয়ম করে পরীক্ষা করতে হয়।
৬ · Endpoint — ইন্টারনেটে না বেরিয়ে provider-এর service
Private subnet-এর server-কে object storage-এ ফাইল রাখতে হবে। Object storage-এর ঠিকানা সাধারণত public. পর্ব ২৬-এর পথে তাকে NAT gateway দিয়ে ইন্টারনেটের দিকে বেরোতে হয়। এতে দুটি সমস্যা: নিরাপত্তা দল বাইরের পথ পছন্দ করে না, আর NAT প্রতি GB-তে processing charge নেয়। ধরে নেওয়া $০.০৫ হারে মাসে ১০ TB (১০,০০০ GB) মানে শুধু এই খাতে $৫০০।
সমাধান VPC endpoint: VPC থেকে provider-এর service-এ provider-এর ভেতরের পথেই যাওয়া। দুটি ধরন আছে, আর এদের গুলিয়ে ফেলা খুব সাধারণ ভুল।
Gateway endpoint
Route table-এর একটি লাইন। গুদামঘরে ঢোকার পেছনের দরজার মতো: আলাদা ঠিকানা নেই, শুধু পথের নির্দেশ বদলায়।
প্রধানত AWS-এর object storage ও DynamoDBPrivate endpoint
আপনার subnet-এ বসা একটি private IP. আপনার অফিস ভবনে ব্যাংকের বুথ খোলার মতো: সেবা ব্যাংকেরই, কিন্তু দরজা আপনার ভবনে।
বহু service-এ, অনেক provider-এ| বিষয় | Gateway endpoint | Private endpoint |
|---|---|---|
| কীভাবে কাজ করে | Route table-এ prefix list-এর লাইন | Subnet-এ network interface, নিজের private IP |
| Service-এর DNS | আগের মতোই public IP দেয় | সাধারণত private IP দেয় (private DNS) |
| অফিস বা অন্য VPC থেকে | সাধারণত পৌঁছানো যায় না | VPN, link বা peering দিয়ে পৌঁছানো যায় |
| Firewall | Security group বসে না; endpoint policy বসে | Security group আর endpoint policy |
| খরচ | লেখার সময়ে সাধারণত বিনা খরচে | সাধারণত ঘণ্টা ও GB অনুযায়ী |
| কোথায় | |
| দেখা তথ্য | |
| সিদ্ধান্ত | |
| NAT মিটার | |
| ইন্টারনেটের পথ |
- Instance পাঠাতে চায়।
10.0.2.15একটি private subnet-এ, তার public IP নেই। সেexample-bucket-এ ১০ GB ফাইল রাখবে। - DNS. Service-এর নাম এখানে একটি public IP দিল (এখানে নমুনা ঠিকানা
198.51.100.20). Gateway endpoint DNS বদলায় না, সে কাজ করে route-এ। - Route table. তিনটি লাইন। গন্তব্য VPC-র ভেতরে নয়, তাই
localবাদ।0.0.0.0/0-ও মেলে, কিন্তু object storage-এর ঠিকানার prefix list আরও নির্দিষ্ট, তাই সেটি জেতে। Packet গেল endpoint-এ, NAT-এ নয়। - Endpoint policy. Endpoint-এ বসানো নীতি দেখল, এই পথে শুধু
example-bucket-এ লেখা চলবে। অনুমতি মিলল। অন্য কারও bucket-এ এই পথে ডেটা পাঠানো আটকে যেত। - Bucket আর IAM. Instance-এর role-এ লেখার অনুমতি আছে। Bucket policy-তে শর্ত ছিল, অনুরোধ এই endpoint দিয়েই আসতে হবে, সেটিও মিলল। পর্ব ৩২-এ IAM-এর এই মূল্যায়ন দেখব।
- ফলাফল। ফাইল জমা হলো, reply একই পথে ফিরল। NAT-এর মিটারে ০ GB, তাই ধরে নেওয়া হারে $০.৫০ বাঁচল। Instance-এর ইন্টারনেটের দরজা না থাকলেও কাজ হলো।
কাজটি একটি কমান্ডেই হয়। নিচের উদাহরণটি AWS CLI-র গড়নে লেখা, সব ID নমুনা। নিজের account-এ করতে চাইলে শুধু একটি পরীক্ষার VPC-তে করুন, আর শেষে মুছে দিন। Cloud ব্যবহারে খরচ হতে পারে, তাই আগে pricing পাতা দেখে নিন। এখানে আউটপুট দেখানো হয়নি, কারণ আমরা কমান্ডটি চালাইনি।
# উদাহরণ: object storage-এর জন্য gateway endpoint. সব ID নমুনা।
aws ec2 create-vpc-endpoint \
--vpc-id vpc-0example \
--vpc-endpoint-type Gateway \
--service-name com.amazonaws.ap-south-1.s3 \
--route-table-ids rtb-0example
# পরিষ্কার করা: পরীক্ষা শেষে endpoint মুছুন
aws ec2 delete-vpc-endpoints --vpc-endpoint-ids vpce-0exampleBucket-কে শুধু এই পথে খুলে রাখতে policy-তে একটি শর্ত দেওয়া যায়। এটি উদাহরণ। ভুল করলে নিজেকেও আটকে ফেলবেন: নিচের Deny console থেকে আসা আপনার অনুরোধও আটকাবে, তাই আগে পরীক্ষার bucket-এ চেষ্টা করুন।
{
"Version": "2012-10-17",
"Statement": [{
"Sid": "OnlyThroughOurEndpoint",
"Effect": "Deny",
"Principal": "*",
"Action": "s3:*",
"Resource": ["arn:aws:s3:::example-bucket", "arn:aws:s3:::example-bucket/*"],
"Condition": { "StringNotEquals": { "aws:SourceVpce": "vpce-0example" } }
}]
}ছোট হিসাব: একই ৫,০০০ GB-তে ধরে নেওয়া হারে NAT-এ $২৫০। তিন zone-এ private endpoint হলে ($০.০১ ঘণ্টা প্রতি zone, $০.০১ প্রতি GB) খরচ ৩ × ০.০১ × ৭২০ + ৫০ = $৭১.৬০। Gateway endpoint-এ শূন্য। তবে NAT-এর নিজের ঘণ্টাভিত্তিক ভাড়া থেকে যায়, যদি অন্য কাজে NAT রাখতে হয়। অনেক দল শুধু এই একটি লাইন যোগ করেই বিল কমতে দেখেন।
৭ · PrivateLink ধরনের service আর shared VPC
একটি service অন্য account-কে দেখানো
Private endpoint শুধু provider-এর service-এর জন্য নয়। আপনিও নিজের API এভাবে অন্য account-কে দিতে পারেন। একে AWS বলে PrivateLink, Azure-এ Private Link Service, আর Google Cloud-এ Private Service Connect. গড়নটি এরকম:
- Service-এর মালিক: নিজের API-র সামনে একটি internal load balancer রেখে সেটিকে “service” হিসেবে প্রকাশ করে, আর নির্দিষ্ট account-কে অনুমতি দেয়।
- গ্রাহক: নিজের subnet-এ একটি private endpoint বানায়। তার কাছে সেই API এখন নিজের VPC-র একটি private IP.
- Traffic: শুধু গ্রাহকের দিক থেকে শুরু হয়। মালিকের VPC-র আর কিছু গ্রাহক দেখতে পায় না।
Peering-এ দুই network-এর অনেকটা জুড়ে যায়, এখানে জোড়া লাগে একটি মাত্র service-এ। দুই VPC-র CIDR এক হলেও চলে, কারণ দুই network-এর মধ্যে কোনো route নেই। অর্থাৎ অন্য দলের বা SaaS প্রতিষ্ঠানের network-এর সঙ্গে ঠিকানা মেলানোর ঝামেলা নেই। একে অনেকটা ব্যাংকের কাউন্টারের জানালার মতো ভাবুন: লেনদেন হয়, কিন্তু আপনি ভল্টে ঢুকতে পারেন না। অসুবিধাও আছে: endpoint-এর খরচ আছে, আর এক দিকের ডাকের জন্য এটি সাজানো, দুই দিকের ডাক চাইলে দুটি লাগে।
Shared VPC
একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে মালিক গেট, পানি, বিদ্যুতের লাইন সামলান। প্রতিটি ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া নিজের ঘর নিজের মতো সাজান, বিলও আলাদা। কাউকে নিজের পানির পাম্প বসাতে হয় না।
Shared VPC-তে একটি কেন্দ্রীয় network দল VPC, subnet আর route বানায়, আর অন্য account বা project সেই subnet-এ নিজের instance চালায়। জোড়ার দরকারই পড়ে না, কারণ সবাই একই network-এ। Google Cloud-এ host project আর service project নামে এটি পরিচিত। AWS-এ একই ধারণা subnet sharing নামে আসে। Azure-এ হুবহু একই নাম নেই, সেখানে hub-spoke-ই বেশি দেখা যায়। ঝুঁকিও পরিষ্কার: একটি network-এ অনেক দল থাকলে IP ঠিকানা ফুরায়, আর আলাদা করার কাজ শুধু firewall আর IAM-এর ওপর পড়ে। পর্ব ৩৫-এ এই নকশা বড় পরিসরে দেখব।
৮ · কোনটি কখন — সিদ্ধান্ত, নাম আর সমস্যা খোঁজা
| পরিস্থিতি | প্রথম পছন্দ | কেন |
|---|---|---|
| ২–৪টি VPC, বদল কম | Peering | সহজ, per-GB সস্তা |
| অনেক VPC, অফিসও আছে | Transit hub | একটি জোড়াতেই সবার সঙ্গে; segmentation |
| একটি API অন্য দলকে; CIDR মিলে গেছে | PrivateLink ধরনের service | শুধু একটি service জোড়ে |
| এক প্রতিষ্ঠান, অনেক দল, কেন্দ্রীয় network দল | Shared VPC | Network এক জায়গায়, কাজ আলাদা |
| অফিস ↔ cloud, ডেটা অল্প, দ্রুত চাই | Site-to-site VPN (দুই tunnel) | এক দিনেই চালু, encrypted |
| বাড়ি থেকে কর্মী | Client VPN বা পরিচয়ভিত্তিক প্রবেশ | একজন মানুষের প্রবেশ, MFA-সহ |
| অনেক ডেটা, স্থির বিলম্ব | দুটি dedicated link, বা একটি + VPN | নিশ্চিত পথ; backup সহ |
| Private subnet থেকে object storage | Gateway endpoint (থাকলে) | NAT-এর GB খরচ নেই |
| অফিস থেকে managed service-এ private IP-তে | Private endpoint | VPN বা link দিয়ে পৌঁছায় |
তিন provider-এ একই ধারণার নাম (লেখার সময়ের নাম; সুবিধা হুবহু এক নয়, আর service-এর নাম বদলাতে পারে):
| ধারণা | AWS | Azure | Google Cloud |
|---|---|---|---|
| Peering | VPC Peering | VNet Peering | VPC Network Peering |
| Transit hub | Transit Gateway | Virtual WAN | Network Connectivity Center |
| Site-to-site VPN | Site-to-Site VPN | VPN Gateway | Cloud VPN (HA VPN) |
| Client VPN | Client VPN | VPN Gateway, point-to-site | Managed রূপে প্রধান পথ নয় |
| Dedicated link | Direct Connect | ExpressRoute | Cloud Interconnect |
| Private endpoint | Interface endpoint (PrivateLink) | Private Endpoint | Private Service Connect |
| Route-ভিত্তিক পথ | Gateway endpoint | Service endpoint (কাছাকাছি) | Private Google Access (কাছাকাছি) |
| Shared network | VPC sharing | হুবহু একই নাম নেই | Shared VPC |
একটি সূক্ষ্মতা: Google Cloud-এর VPC global, তাই একই VPC-র দুই region-এর subnet সরাসরি কথা বলে। AWS আর Azure-এ VPC বা VNet একটি region-এ বাঁধা, তাই অন্য region-এ যেতে আলাদা জোড়া লাগে।
“পৌঁছাচ্ছে না” — খোঁজার ক্রম
- ঠিকানা: দুই পাশের CIDR ওভারল্যাপ করে কি না।
- Route, দুই দিকেই: যাওয়ার আর ফেরার লাইন আছে কি না, আর হাবের route table-এও।
- Firewall: Security group আর network ACL, দুই পাশেই (পর্ব ২৭)।
- DNS: নামটি কোন IP দিচ্ছে। Private endpoint-এর নাম VPC-র ভেতরে private IP দেয়, কিন্তু অফিস থেকে public IP দিতে পারে। এই hybrid DNS-এর সমাধান পর্ব ২৯-এ দেখব।
- বড় packet: Ping চলে, কিন্তু বড় ফাইল আটকে যায়? তাহলে সম্ভবত MTU. IPsec-এর বাড়তি খামের জন্য tunnel-এ packet-এর সর্বোচ্চ আকার ১৫০০-র কম হয়। তখন MSS clamping লাগে।
# উদাহরণ: Linux server থেকে পথ পরীক্ষা। ঠিকানা নমুনা।
ip route get 10.2.0.9 # কোন পথ বেছে নিচ্ছে
ping -c 3 10.2.0.9 # পৌঁছায় কি না (ICMP খোলা থাকলে)
ping -c 3 -M do -s 1400 10.2.0.9 # fragment ছাড়া বড় packet
nc -vz 10.2.0.9 443 # নির্দিষ্ট port খোলা কি নাএসব কমান্ড বিস্তারে আছে পর্ব ১৩-তে। Provider-দের নিজের যাচাই-হাতিয়ারও আছে, যেমন AWS Reachability Analyzer, Azure Network Watcher আর Google Connectivity Tests. এগুলো configuration পড়ে বলে দেয় কোন লাইনে পথ আটকেছে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট
কয়েকটি কথা সাবধানে বলা দরকার, আর সবই লেখার সময়ের ধারণা। প্রতিটি নিজে যাচাই করুন। বড় cloud provider-দের region সাধারণত দেশের বাইরে (পর্ব ৫), তাই অফিস থেকে cloud-এর পথ সাবমেরিন কেবল বা সীমান্ত পেরোনো স্থল-সংযোগের ওপর নির্ভর করে। ফলে RTT আর jitter দুটোই বিবেচ্য। Dedicated link নিতে চাইলে প্রথম প্রশ্ন: provider-এর মিলনস্থল বা partner-এর নাগাল আপনার শহর পর্যন্ত আছে কি না। অনেক ক্ষেত্রে তা দেশের বাইরে হতে পারে, তখন আন্তর্জাতিক লাইনের খরচ যোগ হয়। Provider-এর বর্তমান তালিকা আর আপনার ISP-র কাছ থেকে লিখিত তথ্য নিন। Failover-এর পরিকল্পনায় দুই পথ একই কেবল বা একই গেটওয়ে দিয়ে যাচ্ছে কি না জিজ্ঞেস করতে ভুলবেন না। আর অফিসের router-ও লোডশেডিংয়ে পড়ে, তাই UPS আর দ্বিতীয় ISP অনেক সময় দামি link-এর আগে লাগে। সংবেদনশীল ডেটা হলে দেশের বিধিও দেখুন (data localisation).
আরও গভীরে: BGP-4-এর মান RFC 4271 (২০০৬), IPsec-এর ESP RFC 4303 (২০০৫) আর IKEv2 RFC 7296 (২০১৪)। Peering “transitive নয়” হওয়ার পেছনে আছে cloud network-এর গড়ন: VPC কোনো আসল switch নয়, প্রতিটি host-এ সফটওয়্যার মানচিত্র দেখে packet মুড়ে পাঠায়। Google তার এমন ব্যবস্থার কথা Andromeda paper-এ (NSDI, ২০১৮) লিখেছে। হাব বা endpoint-ও তাই এক যন্ত্র নয়, বরং provider-এর ছড়ানো সফটওয়্যার স্তর, যদিও আপনার চোখে একটি resource.
পরীক্ষা ও ইন্টারভিউতে:
- VPC peering transitive নয় মানে কী? A–B, B–C থাকলেও A থেকে C-তে পথ নেই; সরাসরি peering বা hub লাগে।
- ২৫টি VPC-র full mesh-এ কত link? ২৫ × ২৪ ÷ ২ = ৩০০টি।
- Gateway আর private endpoint-এর তফাত? প্রথমটি route table-এর লাইন, দ্বিতীয়টি subnet-এ private IP, যা অফিস থেকেও পৌঁছায়।
- VPN কেন দুই tunnel? Provider-এর দিকে এক যন্ত্র পড়লেও সংযোগ থাকে; BGP route সরিয়ে দেয়।
- CIDR ওভারল্যাপ করলে দুই VPC-র একটি API কীভাবে দেবেন? PrivateLink ধরনের service দিয়ে, অথবা ঠিকানা নতুন করে সাজিয়ে।
৯ · AI-এর যুগে network জোড়া
AI খুব গুছিয়ে একটি network নকশা লিখে দেয়, আর এই বিষয়ে তার ভুল সহজে চোখে পড়ে না, কারণ terraform plan পরিষ্কার দেখালেও packet পৌঁছায় না। নিচের ভুলগুলো ঘুরেফিরে আসে।
| AI-এর ভুল | ফল | যাচাই |
|---|---|---|
সব VPC-তে 10.0.0.0/16 | পরে জোড়া দেওয়া যায় না | ঠিকানার তালিকা আগে বানান |
| এক দিকেই route | Request যায়, reply আসে না | দুই পাশের route table পড়ুন |
| Peering-কে transitive ধরা | A থেকে C-তে timeout | Reachability পরীক্ষা চালান |
VPN-এর firewall-এ 0.0.0.0/0 | পুরো network অকারণে খোলা | নির্দিষ্ট CIDR ও port রাখুন |
| “Dedicated link তো encrypted” | খোলা ডেটা পাঠানো | Provider-এর নথি দেখুন |
| একটি tunnel বা একটি link | Maintenance-এ সব বন্ধ | Failover পরীক্ষা করুন |
| Per-GB খরচ না গোনা | Hub বা NAT-এর বিল হঠাৎ বড় | GB ধরে হিসাব, budget alert |
| Bucket-এ Deny policy, সতর্কতা ছাড়া | নিজেরাই আটকে যাওয়া | পরীক্ষার bucket-এ আগে দেখুন |
| মনগড়া flag বা resource argument | Plan ভেঙে যায়, বা অন্য অর্থ হয় | Official docs, --dry-run |
AI-কে “একটি network বানিয়ে দাও” না বলে আগে তথ্য দিন, আর তাকে উত্তর যাচাইয়ের জন্য বাধ্য করুন। নিচের কাঠামোটি কাজে লাগবে।
AI-এর নকশা হাতে পেলে — যাচাইয়ের চেকলিস্ট
ভাবনার প্রশ্ন
প্রতিটি প্রশ্ন নিয়ে নিজে কিছুক্ষণ ভাবুন, তারপর “→ উত্তর” চাপুন।
প্র ০১Peering transitive হলে তো জীবন সহজ হতো। Provider কেন এটি ইচ্ছা করেই transitive রাখেনি?
প্রথম কারণ নিরাপত্তার অনুমান। আপনি B-র সঙ্গে peering করলেন মানে B-কে বিশ্বাস করলেন, B-র সব বন্ধুকে নয়। Transitive হলে B অন্য কারও সঙ্গে peering করলেই আপনার network তার নাগালে চলে আসত, আর আপনি জানতেও পারতেন না। প্রতিটি সম্পর্ক সরাসরি ও স্পষ্ট রাখলে কে কার কাছে পৌঁছায়, সেটি দুই পক্ষের চুক্তি দেখেই বলা যায়।
দ্বিতীয় কারণ network-এর গড়ন। প্রচলিত network-এ B একটি রাউটার হতে পারত। কিন্তু VPC কোনো আসল যন্ত্র নয়। প্রতিটি host-এর সফটওয়্যার মানচিত্র দেখে সরাসরি গন্তব্য host-এ packet পাঠায়। মাঝখানে “B-র ভেতর দিয়ে যাওয়া”র মতো কোনো জায়গাই নেই। Peering তাই শুধু দুই পক্ষের মানচিত্রে একটি নতুন অনুমতি। Transitive করতে হলে হয় সব মানচিত্রে সব সম্পর্কের হিসাব ছড়াতে হতো, নয়তো মাঝখানে সত্যিকারের রাউটার বসাতে হতো।
দ্বিতীয় পথটিই পরে এলো। AWS-এর VPC peering ২০১৪ সালের দিকে আসে, আর ২০১৮ সালে আসে Transit Gateway. মাঝের সময়ে মানুষ নিজের virtual router দিয়ে “transit VPC” বানাত, আর সেই router-ই হতো bottleneck. শেষে provider নিজেই একটি পরিচালিত রাউটার দিল, কিন্তু তার জন্য আলাদা দামও বসাল।
লক্ষ করুন, এখানে “সীমাবদ্ধতা” আসলে একটি সচেতন নকশার সিদ্ধান্ত, দুর্বলতা নয়। সরল ব্যবস্থায় বিলম্ব কম, খরচ কম, ব্যর্থতার জায়গাও কম। যার transitive পথ দরকার, সে জেনেশুনে একটি বাড়তি স্তর আর তার বিল নেয়।
মূল উপলব্ধি: ভালো নকশা ডিফল্টে সবকিছু বন্ধ রাখে। নতুন ক্ষমতা স্পষ্টভাবে চাইতে হয়, আর সেটিই পরের ভুল ঠেকায়।
প্র ০২টেলিফোন exchange, বিমান সংস্থা আর transit hub: সবাই কি একই সমস্যা সমাধান করেছে? Hub-এর দাম কোথায়?
হ্যাঁ, গাণিতিকভাবে একই সমস্যা। টেলিফোনের একেবারে শুরুতে দুটি যন্ত্র সরাসরি তারে জোড়া হতো। গ্রাহক বাড়লেই n(n−1)/2 তার অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। ১৮৭৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের New Haven শহরে প্রথম বাণিজ্যিক telephone exchange চালু হয়: সবার তার এক ঘরে আসে, অপারেটর হাতে জুড়ে দেন। Link-এর সংখ্যা n-এ নেমে আসে। ১৯৭৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বিমান শিল্পের নিয়ন্ত্রণ শিথিল হওয়ার পর বিমান সংস্থাগুলোও hub-and-spoke রুটের দিকে ঝোঁকে। অল্প কয়েকটি বড় বিমানবন্দরে যাত্রী জড়ো করলে কম রুটে অনেক শহর জোড়া যায়।
দাম তিন জায়গায়। প্রথমত, পথ লম্বা হয়: রাজশাহী থেকে খুলনায় যেতে ঢাকা ঘুরে আসার মতো। Hub দুই spoke-এর মাঝে একটি বাড়তি ধাপ যোগ করে। দ্বিতীয়ত, প্রতি GB-র টোল বসে, তাই ভারী ডেটা সরাসরি পথ খোঁজে। তৃতীয়ত, সবকিছু এক জায়গায় ঘনীভূত হয়। Exchange-এ আগুন লাগলে পুরো শহরের ফোন বন্ধ। Cloud-এর hub provider চালায়, তাই একটি যন্ত্র হিসেবে ভাঙার ভয় কম, কিন্তু আপনার নিজের ভুল route table-ও এক টানে গোটা প্রতিষ্ঠানকে আলাদা করে দিতে পারে।
তাই বাস্তব নেটওয়ার্ক সাধারণত বিশুদ্ধ কোনোটিই নয়। বিমান সংস্থা ব্যস্ত দুই শহরের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট দেয়, আর cloud-এ ভারী জোড়ার জন্য peering রাখা হয়। অ্যাপের দিক থেকেও একটি শিক্ষা আছে: hub পড়ে গেলে প্রতিটি অ্যাপ অচল হবে কি না, সেটি আগে ভেবে রাখা দরকার।
মূল উপলব্ধি: Hub জটিলতাকে মুছে দেয় না, এক জায়গায় জড়ো করে। জড়ো করা জটিলতা সামলানো সহজ, কিন্তু সেই জায়গাটির ভুল অনেক বেশি দামি।
প্র ০৩Dedicated link ইন্টারনেট এড়িয়ে যায়। তাহলে তার ওপর আবার encryption কেন? “নিজের লাইন” কি যথেষ্ট নিরাপদ নয়?
“নিজের লাইন” কথাটি একটু বিভ্রান্তিকর। লাইনটি আপনার জন্য আলাদা, কিন্তু পথের কাঠামো আপনার নয়। মাঝে telecom প্রতিষ্ঠানের ঘর, colocation ভবনের patch panel, আরও কত হাত। আপনি জানেন না কে কোথায় কী দেখছে।
ইতিহাসের সবচেয়ে পরিচিত শিক্ষাটি ২০১৩ সালের। সে বছর Edward Snowden-এর ফাঁস করা নথির ভিত্তিতে Washington Post জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা বড় প্রতিষ্ঠানের ডেটা সেন্টারের মধ্যের ব্যক্তিগত লাইনে নজরদারি করছিল। কর্মসূচিটি MUSCULAR নামে পরিচিত হয়। সেসব লাইন “ভেতরের” বলে ধরা হতো, তাই সেখানে অনেক ডেটা encrypted ছিল না। প্রকাশের পর Google সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ডেটা সেন্টারের মধ্যের traffic encrypt করার কাজ জোরদার করে।
ব্যবহারিক পথ কয়েকটি। MACsec (IEEE 802.1AE, ২০০৬) link স্তরে দুই প্রতিবেশী যন্ত্রের মধ্যে encrypt করে, গতি হারায় কম, কিন্তু provider আর আপনার যন্ত্র দুটোকেই সমর্থন করতে হয়। IPsec tunnel ওপরে চালালে শেষ পর্যন্ত encrypted থাকে, তবে গতির সীমা আর খরচ ফেরত আসে। সবচেয়ে সাধারণ পথ হলো অ্যাপের নিজের TLS, যা network-এর ওপর ভরসাই করে না।
এটি zero trust-এর মূল চিন্তা: “ভেতরে আছে” বলে কিছু নিরাপদ ধরা যায় না। Private পথের কাজ নকশার ঝুঁকি কমানো, বিশ্বাসের বিকল্প হওয়া নয়। তবু সমঝোতা আছে: encryption-এ CPU আর সামান্য বিলম্ব খরচ হয়, আর key সামলানোর দায় যোগ হয়। সব দল একই সিদ্ধান্ত নেবে না, কিন্তু সিদ্ধান্তটি জেনেশুনে নিতে হবে।
মূল উপলব্ধি: পথের গোপনতা আর ডেটার গোপনতা দুটি আলাদা জিনিস। শুধু পথের ওপর ভরসা করলে পথের প্রতিটি মানুষের ওপর ভরসা করা হয়।
প্র ০৪VPN চালু, ping চলছে, SSH-ও খুলছে, কিন্তু বড় ফাইল পাঠাতে গেলে সংযোগ ঝুলে যায়। এটি কী, আর এত পুরোনো সমস্যা এখনো কেন আছে?
এটি নেটওয়ার্কের এক বিখ্যাত ফাঁদ, যাকে PMTU black hole বলে। সাধারণ network-এ একটি packet সর্বোচ্চ ১,৫০০ byte হয়। IPsec বাইরে নতুন header আর encryption-এর বাড়তি অংশ জোড়ে, তাই tunnel-এর ভেতরে জায়গা কমে যায়, প্রায় ১,৪০০ byte-এর ঘরে। আসল মান cipher আর provider অনুযায়ী আলাদা।
Ping আর SSH-এর লগইন ছোট packet পাঠায়, তাই সহজে পার হয়। ফাইল পাঠানোর সময় TCP পূর্ণ আকারের packet বানায়। Tunnel সেগুলো নিতে পারে না। IPv4-এ “fragment করা যাবে না” চিহ্ন থাকলে রাউটার সেটি ফেলে দিয়ে একটি ICMP বার্তা ফেরত পাঠায়, যার অর্থ: packet এত বড় হলে এই পথে যাবে না। ১৯৯০ সালের RFC 1191-এর Path MTU Discovery এই বার্তার ওপরই দাঁড়িয়ে। প্রেরক বার্তাটি পেয়ে ছোট packet পাঠায়।
গোলমাল শুরু হয় যখন কোনো firewall “নিরাপত্তার” নামে সব ICMP আটকে দেয়। প্রেরক কিছুই জানতে পারে না, একই বড় packet বারবার পাঠায়, আর সংযোগ ঝুলে থাকে। এজন্যই নাম black hole. ২০০০ সালের RFC 2923-এ এই সমস্যার কথা লিখিত আছে, আর ২০০৭ সালের RFC 4821 ICMP-র ওপর ভরসা না করার বিকল্প পথ দেয়।
বাস্তবের সমাধান সরল। Tunnel-এর router-এ TCP-র MSS (Maximum Segment Size, একটি segment-এ ডেটার সর্বোচ্চ আকার) কমিয়ে দেওয়া হয়, যাকে MSS clamping বলে: দুই পাশ শুরুতেই ছোট segment-এ রাজি হয়। ICMP-র “packet too big” বার্তা firewall-এ খোলা রাখা হয়। পরীক্ষার জন্য ping -M do -s দিয়ে ধাপে ধাপে আকার বাড়িয়ে সীমা মাপা যায়।
এত পুরোনো সমস্যা টিকে আছে, কারণ এটি দুই স্তরের সীমানায় বসে: একজন firewall বানায়, আরেকজন VPN, তৃতীয়জন অ্যাপ। আর প্রথম পরীক্ষায় (ping) সব ঠিকঠাক দেখায়।
মূল উপলব্ধি: “Ping চলে” মানে শুধু ছোট packet চলে। পরীক্ষা করুন আসল কাজের মতো আকারে, আর ICMP-কে অকারণে শত্রু ভাববেন না।
প্র ০৫সব server private endpoint দিয়ে object storage-এ যায়। তাহলে কি ডেটা নিরাপদ? ইন্টারনেট থেকে চোর কি আর ঢুকতে পারবে না?
না, এই ধারণাটি বিপজ্জনক। Endpoint একটি নতুন পথ যোগ করে, পুরোনো পথ বন্ধ করে না। Object storage-এর public ঠিকানা আগের মতোই আছে। কারও কাছে বৈধ credential থাকলে সে ইন্টারনেট থেকে একই bucket-এ পৌঁছাতে পারে।
এখানে ২০১৯ সালের Capital One ঘটনাটি প্রাসঙ্গিক। প্রকাশ্য বিবরণ অনুযায়ী, একটি ভুল সাজানো web firewall-এর মাধ্যমে একজন বাইরের ব্যক্তি একটি server-এর temporary credential হাতে পান, আর সেটি দিয়ে বাইরে থেকে object storage-এর ডেটা নামান। এই ঘটনার আইনি ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ নানা জায়গায় আছে। আমাদের শিক্ষাটি সরল: credential বৈধ হলে network-এ private পথ থাকা একাই কিছু আটকায় না।
তাহলে কী করবেন? ডেটার চারপাশে একটি data perimeter ভাবুন, যা দুই দিকেই কাজ করে।
- Bucket-এর দিকে: policy-তে শর্ত দিন, অনুরোধ শুধু নিজের endpoint বা নিজের network থেকে আসবে। চুরি যাওয়া credential তখন বাইরে থেকে কাজ করে না।
- Endpoint-এর দিকে: endpoint policy-তে লিখুন, এই পথে শুধু নিজের bucket-এ যাওয়া যাবে। এতে ভেতরের কেউ অন্য কারও bucket-এ ডেটা সরাতে পারে না।
- IAM-এর দিকে: least privilege, ছোট মেয়াদের credential, আর metadata service-এর সুরক্ষা।
- নজরদারি: audit log আর অস্বাভাবিক ব্যবহারের alert.
Google Cloud-এ VPC Service Controls এই চিন্তারই একটি রূপ। পর্ব ৩২ আর পর্ব ৩৪-এ এগুলো আরও আসবে। মনে রাখবেন, প্রতিটি স্তর ফাঁক রাখে, স্তরগুলো মিলেই সুরক্ষা হয়। আর এসব শর্ত সতর্কভাবে বসাতে হয়, নইলে নিজের কাজই আটকে যায়।
মূল উপলব্ধি: Network বলে “পৌঁছানো যায়”, IAM বলে “করা যায়”। ডেটা নিরাপদ হয় যখন দুটোই একসঙ্গে শক্ত থাকে।
অনুশীলন
আগে নিজে হিসাব করুন, তারপর উত্তর মেলান। কোনো cloud account লাগবে না।
-
হিসাব: একটি প্রতিষ্ঠানে ১২টি VPC. (ক) Full mesh-এ কতটি peering? (খ) ১৩তম VPC যোগ করতে কতটি নতুন peering আর দুই পাশ মিলিয়ে কতটি route লাগবে (প্রতি VPC-তে একটি route table ধরে)? (গ) Hub-এ attachment ঘণ্টায় $০.০৫ আর processing GB-প্রতি $০.০২ ধরে, মাসে (৭২০ ঘণ্টা) মোট ৩,০০০ GB traffic-এ ১২টি VPC-র hub-এর বিল কত?
(ক) ১২ × ১১ ÷ ২ = ৬৬টি।
(খ) নতুন VPC-কে পুরোনো ১২টির সঙ্গে জুড়তে ১২টি peering. প্রতিটিতে দুই পাশে একটি করে route, মোট ২৪টি।
(গ) Attachment: ১২ × ০.০৫ × ৭২০ = $৪৩২। Processing: ৩,০০০ × ০.০২ = $৬০। মোট $৪৯২। সব দাম ধরে নেওয়া।
-
ফল অনুমান করুন: Peering সক্রিয়: A–B, B–C. CIDR: A
10.0.0.0/16, B10.1.0.0/16, C10.2.0.0/16. Route: A-তে10.1.0.0/16 → pcx-ab; B-তে শুধু10.2.0.0/16 → pcx-bc; C-তে10.1.0.0/16 → pcx-bc. সব firewall ICMP খোলা। তিনটি ping-এর ফল কী হবে: A→B, C→B, A→C? এবার B-তে10.0.0.0/16 → pcx-abআর A-তে10.2.0.0/16 → pcx-abযোগ করলে কী বদলাবে?আগে। A→B: request পৌঁছায়, কিন্তু B-র কাছে A-তে ফেরার route নেই, তাই timeout. C→B: যাওয়া ও ফেরা দুটোই আছে, ping সফল। A→C: A-র কাছে C-র route নেই, packet যায়ই না, তাই ব্যর্থ।
পরে। A→B এখন সফল, কারণ ফেরার পথ হলো। A→C তবু ব্যর্থ। A packet-টি
pcx-ab-তে পাঠায়, কিন্তু গন্তব্য B-র CIDR-এর মধ্যে নয়, তাই peering সেটি ফেলে দেয়। B কখনো মাঝের রাউটার হয় না। Route যোগ করে transitive বানানো যায় না। -
নকশা ও সমালোচনা: একটি কাল্পনিক অনলাইন বাজার অ্যাপের জন্য AI এই নকশা দিল: ৮টি VPC, সবগুলোর CIDR
10.0.0.0/16; সব VPC পরস্পর peering; অফিস থেকে একটি dedicated link, কোনো backup নেই; link-এ encryption “লাগবে না”; dev আর prod সরাসরি জোড়া। প্রতিটি সমস্যা ধরুন, আর একটি ভালো নকশা প্রস্তাব করুন।- একই CIDR: Peering হবেই না। প্রতিটি VPC-কে আলাদা ঠিকানা দিন, যেমন
10.1.0.0/16,10.2.0.0/16ইত্যাদি, আর একটি ঠিকানার তালিকা রাখুন। - ৮টির mesh: ৮ × ৭ ÷ ২ = ২৮টি peering. On-premises-ও আছে, তাই transit hub ভালো।
- একটি link: Single point of failure. দ্বিতীয় link বা অন্তত দুই tunnel-এর VPN backup রাখুন, আর failover পরীক্ষা করুন।
- Encryption নেই: Dedicated link নিজে থেকে encrypted নয়। অ্যাপে TLS, প্রয়োজনে IPsec বা MACsec.
- Dev–prod জোড়া: Hub-এ আলাদা route table দিয়ে দুটিকে আলাদা রাখুন। দুজনেই shared service-এ পৌঁছাবে।
- একই CIDR: Peering হবেই না। প্রতিটি VPC-কে আলাদা ঠিকানা দিন, যেমন
-
হিসাব ও সিদ্ধান্ত: Private subnet থেকে মাসে ৫,০০০ GB ডেটা object storage-এ যায়। ধরে নিন NAT-এর processing $০.০৫/GB; private endpoint ৩টি zone-এ, প্রতি zone ঘণ্টায় $০.০১ আর ডেটা $০.০১/GB; gateway endpoint বিনা খরচে। মাসে ৭২০ ঘণ্টা। তিনটির ডেটা-সংক্রান্ত খরচ বের করুন। তারপর বলুন, gateway endpoint থাকলেও কখন private endpoint নেবেন?
NAT: ৫,০০০ × ০.০৫ = $২৫০। Private endpoint: ৩ × ০.০১ × ৭২০ = $২১.৬০, আর ডেটা ৫,০০০ × ০.০১ = $৫০, মোট $৭১.৬০। Gateway endpoint: $০।
Private endpoint নেবেন যখন অফিস থেকে VPN বা dedicated link দিয়ে, অথবা অন্য VPC থেকে একই service-এ private IP-তে পৌঁছাতে হবে, কারণ gateway endpoint-এর route সাধারণত সেই VPC-র বাইরে কাজ করে না। আবার service-এর জন্য security group বসাতে চাইলেও এটি লাগে।
নিজেকে যাচাই করুন
ভুল হলে কারণসহ ব্যাখ্যা পাবেন, আবার চেষ্টাও করতে পারবেন।
ক্রমদুটি VPC-তে peering সাজানোর ধাপগুলো সঠিক ক্রমে সাজান (▲▼ চেপে সরান)
- দুই VPC-র CIDR ওভারল্যাপ করে কি না দেখা
- এক পক্ষ থেকে peering-এর অনুরোধ পাঠানো
- অন্য পক্ষের অনুরোধ গ্রহণ
- দুই VPC-র route table-এ অন্য পক্ষের CIDR যোগ
- Security group-এ প্রয়োজনীয় port খোলা
- যাওয়া-ফেরা পরীক্ষা করে দেখা
VPC A–B আর VPC B–C-র মধ্যে peering সক্রিয়, route-ও ঠিক আছে। A-র একটি instance C-র private IP-তে packet পাঠালে কী হবে?
- B হয়ে C-তে পৌঁছাবে
- ইন্টারনেট হয়ে C-তে পৌঁছাবে
- পৌঁছাবে না; A–C-র সরাসরি peering বা transit hub লাগবে
- শুধু A-তে route যোগ করলেই পৌঁছাবে
২০টি VPC-কে full mesh peering-এ জুড়তে কতটি peering লাগবে?
- ২০টি
- ১৯০টি
- ৩৮০টি
- ৪০০টি
কোন endpoint ধরনে route table-এ শুধু একটি লাইন যোগ হয়, subnet-এ কোনো private IP বসে না, আর সাধারণত অফিস থেকে VPN দিয়ে সেটি ব্যবহার করা যায় না?
- Private endpoint
- NAT gateway
- Public endpoint
- Gateway endpoint
দুই account-এর VPC-র CIDR একই (10.0.0.0/16). এক পক্ষকে অন্য পক্ষের একটি মাত্র API ব্যবহার করতে দিতে হবে, ঠিকানা বদলানোর সুযোগ নেই। কোনটি সবচেয়ে মানানসই?
- PrivateLink ধরনের service আর private endpoint
- VPC peering
- Transit hub-এ দুটি attachment
- Gateway endpoint
VPN-এর স্থির খরচ মাসে $৪০ আর GB-প্রতি $০.০৯। Dedicated link-এর স্থির খরচ মাসে $৬০০ আর GB-প্রতি $০.০২। Break-even কত GB?
- প্রায় ৬,২২২ GB
- ৮,০০০ GB
- প্রায় ৮,৫৭১ GB
- ২৮,০০০ GB
Dedicated link সম্পর্কে কোন কথাটি সবচেয়ে সঠিক?
- এটি সবসময় নিজে থেকেই encrypted
- এটি VPN-এর মতো কয়েক ঘণ্টায় চালু হয়
- বিলম্ব স্থির থাকে, কিন্তু encryption আর দ্বিতীয় পথ আলাদা করে ভাবতে হয়
- স্থির খরচ VPN-এর চেয়ে সবসময় কম
শব্দকোষ
লেখার মধ্যে ডটেড দাগ দেওয়া শব্দে মাউস রাখুন বা চাপুন, অর্থ দেখাবে। এই পর্বের সব নতুন শব্দ এখানে একসাথে:
মনে রাখুন
- Peering সরাসরি, সস্তা, কিন্তু transitive নয়; CIDR আলাদা হতে হবে, route দুই দিকে দিতে হবে।
- Full mesh-এ n(n−1)/2 link; transit hub-এ n attachment, তবে ঘণ্টা আর GB-র বিল আছে।
- VPN দ্রুত ও encrypted, পথ ইন্টারনেট; দুই tunnel আর BGP সাজিয়ে রাখুন। Dedicated link স্থির, দামি, encryption আলাদা; দ্বিতীয় পথ লাগে।
- Gateway endpoint route-এর লাইন; private endpoint subnet-এর private IP; PrivateLink ধরনের জোড়া শুধু একটি service খোলে, আর shared VPC-তে সবাই এক network-এ।
- পৌঁছাতে হলে ঠিকানা, দুই দিকের route, firewall, DNS, MTU আর IAM সবই ঠিক থাকতে হবে, আর AI-এর নকশা এই ক্রমেই যাচাই করতে হবে।
আরও পড়ুন · ABCL TECH-এ আপনার পরবর্তী পদক্ষেপ
- পর্ব ২৯ · Cloud DNS — record, TTL, health check আর traffic routingপরবর্তী পর্বনাম থেকে ঠিকানা, আর hybrid DNS-এর সমাধান।
- ক্লাউড কম্পিউটিং ও DevOps · কোর্স হোম৮১টি পর্বপুরো কোর্সের রোডম্যাপ।
- Computer Networks · Firewall আর VPNগভীরে যানIPsec আর tunnel-এর ভেতরের গড়ন।
- Computer Networks · BGPগভীরে যানইন্টারনেটের route কীভাবে ছড়ায়।
- Computer Networks · Cloud আর container networkingপাশের ট্র্যাকVPC-র ভেতরের overlay কীভাবে কাজ করে।
- পর্ব ১৩ · Server-এর network হাতিয়ারআগের পর্বip, ss, dig আর curl দিয়ে সমস্যা খোঁজা।