সরাসরি পর্বে যান
পর্ব ০৮ · ৬২-এর মধ্যে · মডিউল ২

মাধ্যম আর multiplexing — তামার তার, fiber, বেতার, FDM আর TDM

Transmission Media and Multiplexing — Twisted Pair, Coax, Optical Fiber, Wireless, FDM, TDM, WDM and CDMA

Taught in Bangla, this lesson compares guided and unguided media: twisted pair categories, coaxial cable, optical fiber with total internal reflection, critical angle and dispersion, wireless spectrum, free-space path loss and link budgets, then multiplexing with FDM and guard bands, synchronous and statistical TDM, how T1 and E1 rates are derived, WDM, spread spectrum and CDMA encoding and decoding with Walsh codes.

এই পর্বে যা শিখবেন

  • তামার তার, coaxial আর fiber কীভাবে কাজ করে, কোনটা কখন বেছে নেবেন — category, দূরত্ব আর গতির হিসাবসহ
  • Fiber-এর ভেতরে আলো কেন বেরিয়ে যায় না — critical angle, numerical aperture আর dispersion-এর অঙ্ক
  • বেতার spectrum, licensed আর unlicensed band, আর free-space path loss ও link budget-এর পূর্ণ হিসাব
  • FDM-এ guard band দিয়ে channel বরাদ্দ, synchronous ও statistical TDM, আর T1 ও E1-এর হার কোথা থেকে আসে
  • WDM, spread spectrum আর CDMA — Walsh code দিয়ে encode আর dot product দিয়ে decode নিজে হাতে

১ · মাধ্যম কী — guided আর unguided

পর্ব ০৭-এ দেখেছেন, physical layer বিটকে সংকেতে রূপ দেয় — ভোল্টেজ, আলো বা বেতার তরঙ্গ। সেই সংকেতের পথটির নাম transmission medium বা মাধ্যম: ল্যাপটপ থেকে router-এর নীল তার, বাসার Wi-Fi-র বাতাস, কিংবা কক্সবাজারের সমুদ্রতল দিয়ে যাওয়া কাচের সুতা।

মাধ্যমকে প্রথমে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। Guided media-তে সংকেত একটি ভৌত পথের ভেতরে বাঁধা থাকে — তামার তার বা কাচের fiber. Unguided media-তে সংকেত বাতাসে বা মহাশূন্যে তরঙ্গ হয়ে ছড়িয়ে যায় — রেডিও, microwave, infrared. প্রথমটি রাস্তা, দ্বিতীয়টি খোলা আকাশ।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে মাল পাঠাবেন। রেললাইন একটি guided পথ: ট্রেন লাইনের বাইরে যেতে পারে না, পাশের লাইনের ট্রেনের সাথে ধাক্কা লাগে না, কিন্তু লাইন বসাতে খরচ আর সময় লাগে। হেলিকপ্টার unguided: কোনো লাইন লাগে না, নদী-পাহাড় পেরিয়ে যায়, যে-কেউ যেকোনো দিক থেকে আসতে পারে — কিন্তু আকাশ সবার, ঝড়-বৃষ্টিতে সমস্যা, আর অনেকে একসাথে উড়লে নিয়ম মেনে আকাশ ভাগ করে নিতে হয়। নেটওয়ার্কের মাধ্যমেও ঠিক এই টানাপোড়েন।

যেকোনো মাধ্যম বিচার করুন চারটি প্রশ্নে: bandwidth (কত বড় frequency পরিসর — ডেটা-হারের সীমা, পর্ব ০৭-এর Shannon), attenuation (দূরত্বে কত দুর্বল হয়), নয়েজ ও হস্তক্ষেপ, আর খরচ ও বসানোর সুবিধা. কোনো মাধ্যম চারটিতেই সেরা নয়, তাই সব কটি পাশাপাশি চলে।

মূল ধারণা — dB-এর ভাষা

মাধ্যমের ক্ষতি মাপা হয় decibel (dB)-এ, কারণ সংকেত দূরত্বের সাথে গুণফল হারে কমে, আর লগারিদমে গুণ যোগ হয়ে যায়। ক্ষতি (dB) = 10·log10(Pin/Pout). ৩ dB ≈ অর্ধেক, ১০ dB = দশ ভাগের এক ভাগ, ২০ dB = একশ ভাগের এক ভাগ। আর dBm হলো ১ মিলিওয়াটের তুলনায় শক্তি: ০ dBm = ১ mW, ২০ dBm = ১০০ mW, −৩০ dBm = ০.০০১ mW. নিয়ম একটাই: dBm থেকে dB বিয়োগ করলে dBm পাওয়া যায়, কিন্তু দুটি dBm কখনো যোগ করা যায় না।

২ · Twisted pair — পেঁচানো তামার জোড়া

অফিসের দেয়ালের ভেতর দিয়ে switch পর্যন্ত যাওয়া নীল বা ধূসর তারটি twisted pair কেবল। ভেতরে আটটি সরু তামার তার, চারটি জোড়ায় পেঁচানো — প্রতিটি জোড়ায় একটি রঙিন (কমলা, সবুজ, নীল, বাদামি) আর একটি সেই রঙের ডোরাকাটা সাদা। নকশাটি টেলিফোনের যুগ থেকে চলছে।

পেঁচালে নয়েজ কাটে কেন

জোড়ার দুটি তারে একই সংকেত যায়, কিন্তু উল্টো চিহ্নে: এক তারে +V, অন্যটিতে −V. গ্রাহক দুই তারের পার্থক্য মাপে — একে বলে differential signaling. এখন পাশের বৈদ্যুতিক মোটর বা ফ্লুরোসেন্ট বাতি থেকে একটি নয়েজ এলে (EMI), সেটি দুই তারেই প্রায় সমান পরিমাণে ঢোকে, ধরুন +n. গ্রাহক দেখে (V + n) − (−V + n) = 2V. নয়েজ বিয়োগে কেটে গেল!

কিন্তু “প্রায় সমান” হতে হলে দুই তারকে নয়েজের উৎস থেকে গড়ে সমান দূরত্বে থাকতে হবে। সোজা পাশাপাশি থাকলে একটি সবসময় একটু কাছে; পেঁচালে প্রতি পাকে তারা জায়গা বদলায়, পুরো দৈর্ঘ্যে গড় সমান হয়। একই কৌশল পাশের জোড়ার হস্তক্ষেপ — crosstalk — কমায়; তাই চার জোড়ার পাকের হার ইচ্ছা করে আলাদা।

বিয়েবাড়িতে দুই বন্ধু একই কথা উল্টো সুরে বলছেন, আর শ্রোতা শুধু দুজনের পার্থক্যটুকু শোনেন — পাশের মাইকের শব্দ দুজনের কানেই সমান যায়, তাই পার্থক্যে মুছে যায়। কিন্তু একজন সবসময় মাইকের কাছে থাকলে শব্দ সমান থাকে না; তাই দুজন পালা করে জায়গা বদলান — এটাই “twist”.

UTP আর STP

UTP (Unshielded Twisted Pair)-এ পেঁচানোই একমাত্র সুরক্ষা — হালকা, সস্তা, বাঁকানো সহজ; অফিস আর বাসার প্রায় সব কেবল এটাই। STP (Shielded) কেবলে জোড়া বা পুরো কেবলের চারপাশে ধাতব foil বা জাল থাকে — কারখানা বা খুব উঁচু গতির (Cat8) কেবলে লাগে, তবে ঢাল ঠিকমতো earth করতে হয়।

Category — কোন কেবলে কত গতি

কেবলের মান ঠিক করে TIA/EIA-568 আর ISO/IEC 11801-এর মতো standard. “Category” (Cat) সংখ্যা যত বড়, কেবল তত উঁচু frequency পর্যন্ত ভালো আচরণ করে — অর্থাৎ বেশি bandwidth. নিচের সংখ্যাগুলো প্রচলিত standard-এর সাধারণ মান; নির্দিষ্ট পণ্য বা নতুন standard-এ কিছুটা ভিন্ন হতে পারে:

Categoryনির্ধারিত frequencyসাধারণ Ethernetদূরত্বকোথায় দেখবেন
Cat5e১০০ MHz১ Gbps (1000BASE-T)১০০ mপুরোনো ও সাশ্রয়ী অফিস-বাসা
Cat6২৫০ MHz১ Gbps; ১০ Gbps১০০ m; ১০ Gbps মোটামুটি ৩৭–৫৫ m পর্যন্তনতুন অফিসের সাধারণ পছন্দ
Cat6a৫০০ MHz১০ Gbps (10GBASE-T)১০০ mসার্ভার রুম, Wi-Fi 6/7 access point
Cat8২,০০০ MHz২৫/৪০ Gbpsমাত্র ৩০ mdata center-এ র‍্যাকের ভেতরে

১০০ মিটারের সীমা twisted-pair Ethernet-এর সবচেয়ে বিখ্যাত সংখ্যা: switch থেকে কম্পিউটার পর্যন্ত পুরো “channel” — সাধারণত দেয়ালের ভেতরে ৯০ m স্থায়ী তার আর দুই প্রান্তে মিলিয়ে ১০ m patch cord. এর বেশি হলে সংকেত দুর্বল (attenuation), crosstalk বাড়ে, আর timing-এর হিসাব মেলে না। দূরে নিতে হলে মাঝে একটি switch বসান, বা fiber ব্যবহার করুন।

RJ-45, straight আর crossover

Ethernet কেবলের মাথার স্বচ্ছ প্লাস্টিকের ৮-পিন সংযোগকারীকে প্রচলিত ভাষায় বলা হয় RJ-45 (প্রযুক্তিগতভাবে 8P8C). আটটি তার কোন ক্রমে পিনে বসবে তার দুটি মান আছে — T568A আর T568B; পার্থক্য শুধু কমলা আর সবুজ জোড়ার জায়গা অদলবদল। দুই মাথায় একই মান হলে কেবলটি straight-through; এক মাথায় A, অন্য মাথায় B হলে crossover.

কেন দুই ধরন? 10BASE-T আর 100BASE-TX-এ একটি জোড়া পাঠানোর, একটি গ্রহণের। কম্পিউটারের “পাঠানো” জোড়া switch-এর “গ্রহণ” জোড়ায় যেতে হবে — switch-এর ভেতরে এই অদলবদল আগেই করা, তাই কম্পিউটার-থেকে-switch-এ straight. কিন্তু একই ধরনের দুটি যন্ত্র (কম্পিউটার-কম্পিউটার, switch-switch) জুড়লে দুই পাশই একই পিনে পাঠায় — তখন crossover লাগত।

আজ এই মাথাব্যথা প্রায় নেই: বেশিরভাগ আধুনিক NIC আর switch-এ Auto-MDI-X আছে — যন্ত্র নিজেই বোঝে কোন জোড়ায় পাঠাতে হবে। Gigabit Ethernet চারটি জোড়াই একসাথে দুই দিকে ব্যবহার করে। সংযোগের শুরুতে দুই প্রান্ত auto-negotiation-এ গতি আর full-duplex বা half-duplex ঠিক করে; এক প্রান্তে auto আর অন্যটিতে হাতে বাঁধা থাকলে “duplex mismatch” — লিংক জ্বলে, কিন্তু গতি কম আর error বেশি।

Linux-এ প্রতিটি network interface-এর আলোচিত গতি আর duplex পড়া যায় sysfs থেকে — /sys/class/net/<নাম>/ ফোল্ডারে। নিচের script প্রতিটি interface-এর অবস্থা ছাপে; ফাইল পড়া না গেলে (ভার্চুয়াল interface-এ প্রায়ই হয়) “n/a” দেখায়:

# Each network interface is a folder in /sys/class/net
for d in /sys/class/net/*; do
  n=$(basename "$d")
  st=$(cat "$d/operstate" 2>/dev/null || echo "?")
  sp=$(cat "$d/speed" 2>/dev/null || echo "n/a")
  dp=$(cat "$d/duplex" 2>/dev/null || echo "n/a")
  mtu=$(cat "$d/mtu" 2>/dev/null || echo "?")
  ty=$(cat "$d/type" 2>/dev/null || echo "?")
  printf "%-6s state=%-8s speed=%-5s duplex=%-5s mtu=%-6s type=%s\n" \
    "$n" "$st" "$sp" "$dp" "$mtu" "$ty"
done
command -v ethtool >/dev/null && echo "ethtool found" || echo "ethtool not installed"

আউটপুট (এই পাতার runner-এ):

lo     state=unknown  speed=n/a   duplex=n/a   mtu=65536  type=772
tap0   state=unknown  speed=10000 duplex=full  mtu=65520  type=1
ethtool not installed

runner-এ দুটি interface. lo হলো loopback (type=772) — কোনো তার নেই, তাই গতি পড়া যায় না, script দেখিয়েছে “n/a”. tap0 একটি ভার্চুয়াল interface (type=1 = Ethernet-এর মতো আচরণ); speed=10000 duplex=full driver-এর ঘোষিত নামমাত্র মান — আসল তামার তার বা auto-negotiation এখানে নেই, MTU-ও ১৫০০ নয়, ৬৫৫২০. state=unknown মানে driver link-এর অবস্থা জানায় না। ethtool নেই, তাই sysfs-ই একমাত্র উৎস।

একটি সাধারণ Linux ল্যাপটপে তারের সংযোগে দেখবেন (উদাহরণ, চালানো যায় না) enp3s0 state=up speed=1000 duplex=full. গতি ১০০ দেখালে প্রায়ই কেবলের একটি জোড়া নষ্ট — gigabit-এর জন্য চারটি জোড়াই লাগে। Windows-এ PowerShell-এর Get-NetAdapter একই তথ্য দেখায় (LinkSpeed).

৩ · Coaxial cable — ক্যাবল টিভির তার

বাসায় ক্যাবল টিভির যে কালো মোটা তার আসে, সেটি coaxial cable. গঠন পেঁয়াজের খোসার মতো: মাঝখানে একটি শক্ত তামার তার, তার চারপাশে প্লাস্টিকের অন্তরক (dielectric), তার ওপর বোনা ধাতব জাল বা foil-এর ঢাল, আর সবার বাইরে প্লাস্টিকের আবরণ। “Co-axial” নামের অর্থ — ভেতরের তার আর বাইরের ঢাল একই অক্ষ ঘিরে।

এই নকশায় সংকেতের তড়িৎ-চৌম্বক ক্ষেত্র ঢালের ভেতরে আটকে থাকে: বাইরে ছড়ায় না, বাইরের নয়েজও সহজে ঢোকে না। ফলে twisted pair-এর চেয়ে অনেক উঁচু frequency (কয়েকশো MHz থেকে GHz-এর ঘরে) বহন করা যায় — তাই এক তারে শত শত টিভি চ্যানেল, প্রতিটি নিজের frequency ব্যান্ডে। এটাই FDM-এর সবচেয়ে চেনা উদাহরণ (অংশ ৭)।

প্রথম দিকের Ethernet (10BASE5, 10BASE2) coaxial-এ bus topology-তে চলত (পর্ব ০২)। আজ এর প্রধান নেটওয়ার্ক-ব্যবহার ক্যাবল ইন্টারনেট: DOCSIS standard ক্যাবল টিভির তারের কিছু চ্যানেল ডেটার জন্য ব্যবহার করে, বাসায় থাকে একটি cable modem. DOCSIS 3.0 কয়েকটি চ্যানেল জুড়ে কয়েকশো Mbps, DOCSIS 3.1 তাত্ত্বিকভাবে কয়েক Gbps দিতে পারে; এলাকার সবাই একই তার ভাগ করেন বলে সন্ধ্যায় গতি কমতে পারে।

৪ · Optical fiber — কাচের সুতায় আলো

Optical fiber চুলের মতো সরু কাচের সুতা। তথ্য যায় আলোর ঝলক হিসেবে — সহজ রূপে আলো আছে মানে 1, নেই মানে 0. তামার তারে ইলেকট্রন ধাক্কা খেয়ে শক্তি হারায়; fiber-এ আলো প্রায় স্বচ্ছ কাচ দিয়ে চলে, তাই ক্ষতি খুব কম আর frequency (কয়েকশো THz) বিশাল — bandwidth-এর এক অফুরন্ত খনি।

আলো বেরিয়ে যায় না কেন — total internal reflection

প্রতিটি স্বচ্ছ পদার্থের একটি refractive index (প্রতিসরাঙ্ক) n আছে — শূন্যে আলোর গতি তার ভেতরের গতির কত গুণ। এক পদার্থ থেকে আরেকটিতে ঢুকলে আলো Snell-এর সূত্র মেনে বাঁকে: n1·sin θ1 = n2·sin θ2 (কোণ সীমানার লম্বের সাথে)। ঘন (বড় n) থেকে হালকায় যেতে আলো লম্ব থেকে দূরে সরে; যে আপতন কোণে প্রতিসৃত রশ্মি সীমানার গা ঘেঁষে চলে (θ2 = ৯০°), তা critical angle:

sin θc = n2 / n1  (শর্ত: n1 > n2)

আপতন কোণ θc-এর চেয়ে বড় হলে আলো আর বেরোতে পারে না, পুরোটাই ফিরে আসে — total internal reflection. পুকুরের তলা থেকে কাত হয়ে ওপরে তাকালে পানির উপরিতল আয়নার মতো দেখায় — একই ঘটনা।

Fiber-এ তাই দুটি স্তর: মাঝখানে core (n1 একটু বড়) আর চারপাশে cladding (n2 একটু ছোট), বাইরের ব্যাস সাধারণত ১২৫ μm. পার্থক্য খুব সামান্য — প্রায় ১%. নিচের ডায়াগ্রামে n1 = ১.৪৮ আর n2 = ১.৪৬ ধরে দুটি রশ্মির ভাগ্য দেখুন:

1core n1 = 1.48, cladding n2 = 1.462ray 1 enters from air at 10 deg to axis3ray 1 hits core wall: 83.26 > 80.57 -> reflect4ray 2 enters at 20 deg -> 13.36 inside5ray 2 hits wall: 76.64 < 80.57 -> leaks6NA = sqrt(n1^2 - n2^2) = 0.2425 -> 14.03 deg7many angles = many modes -> spread in time
কোণ আর ফলাফল
রশ্মি
core-এ অক্ষের সাথে কোণ
দেয়ালে আপতন কোণ
critical angle θc
ফল
  1. গঠন আর critical angle. Core-এর n1 = ১.৪৮, cladding-এর n2 = ১.৪৬. sin θc = ১.৪৬ ÷ ১.৪৮ = ০.৯৮৬৫, তাই θc = ৮০.৫৭°. অর্থাৎ core-এর দেয়ালে আলোকে খুব কাত হয়ে (লম্ব থেকে ৮০.৫৭°-এর বেশি) পড়তে হবে — প্রায় দেয়ালের সমান্তরালে।
  2. রশ্মি ১ ঢুকল। বাতাস থেকে অক্ষের সাথে ১০° কোণে। Snell: sin θ = sin ১০° ÷ ১.৪৮ = ০.১৭৩৬ ÷ ১.৪৮ = ০.১১৭৩, তাই core-এ অক্ষের সাথে ৬.৭৪° — ঘন কাচে রশ্মি অক্ষের দিকে বাঁকল।
  3. রশ্মি ১ দেয়ালে। লম্বের সাথে কোণ ৯০° − ৬.৭৪° = ৮৩.২৬° > ৮০.৫৭° — total internal reflection. রশ্মি ফিরে উল্টো দেয়ালে যায়, সেখানেও একই কোণ; এভাবে আঁকাবাঁকা পথে বহু km.
  4. রশ্মি ২ — বেশি কাত। এবার বাতাসে ২০° কোণে ঢুকল। sin θ = ০.৩৪২০ ÷ ১.৪৮ = ০.২৩১১, core-এ অক্ষের সাথে ১৩.৩৬°.
  5. রশ্মি ২ হারিয়ে যায়। আপতন কোণ ৯০° − ১৩.৩৬° = ৭৬.৬৪° — critical angle-এর চেয়ে ছোট। আলোর একটি অংশ cladding-এ বেরিয়ে যায় (প্রতিসরণ কোণ ≈ ৮০.৪৯°), প্রতি প্রতিফলনে আরও কিছু — অল্প দূরেই রশ্মি প্রায় শেষ।
  6. গ্রহণ-শঙ্কু। সীমারেখার রশ্মি: core-এ অক্ষের সাথে ৯০° − ৮০.৫৭° = ৯.৪৩°, বাতাসে sin θ = ১.৪৮ × sin ৯.৪৩° = √(n12 − n22) = ০.২৪২৫. এই সংখ্যাটির নাম numerical aperture (NA), আর গ্রহণ-কোণ sin−1(০.২৪২৫) = ১৪.০৩°. অক্ষের ±১৪°-এর ভেতরে ঢোকা সব আলো আটকা; বাইরেরটা হারায়।
  7. Mode আর ছড়িয়ে পড়া। মোটা core-এ (৫০ বা ৬২.৫ μm) অনেক অনুমোদিত কোণে আলো চলে — প্রতিটি একটি “mode”; কাত রশ্মি বেশি পথ চলে দেরিতে পৌঁছায় (step-index-এ প্রতি km-এ প্রায় ৬৭.৬ ns). Single-mode-এর ~৯ μm core-এ কার্যত একটিই পথ।

Single-mode বনাম multimode আর dispersion

একটি আলোর ঝলক (একটি বিট) চলতে চলতে সময়ের দিক থেকে চওড়া হয় — dispersion. বেশি চওড়া হলে পাশের বিটের সাথে মিশে যায়, তাই dispersion ঠিক করে কত দূরে কত দ্রুত পাঠানো যাবে।

  • Modal dispersion: বিভিন্ন mode বিভিন্ন দৈর্ঘ্যের পথে চলে। সোজা রশ্মি L দূরত্বে সময় নেয় L·n1/c; critical angle-এর রশ্মির পথ L/sin θc = L·n1/n2. পার্থক্য Δt = (L·n1/c)·(n1 − n2)/n2. L = ১ km-এ: ৪.৯৩ μs × (০.০২ ÷ ১.৪৬) ≈ ৬৭.৬ ns — বিটগুলো অন্তত এতটা দূরে রাখতে হলে সীমা মোটামুটি ১৫ Mbps! তাই আধুনিক multimode fiber “graded-index”: core-এর n কেন্দ্র থেকে বাইরে ধীরে কমে, কাত রশ্মি বাইরের দ্রুত অংশে চলে সময় পুষিয়ে নেয়।
  • Chromatic dispersion: আলোর উৎস একদম এক রঙের নয়, আর কাচে বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের গতি সামান্য আলাদা — single-mode-এও থাকে।
বৈশিষ্ট্যMultimodeSingle-mode
Core-এর ব্যাস৫০ বা ৬২.৫ μmপ্রায় ৮–১০ μm
আলোর উৎসসস্তা LED বা VCSEL, সাধারণত ৮৫০ nmlaser, ১৩১০ বা ১৫৫০ nm
দূরত্ব (১০ Gbps-এ, সাধারণ মান)কয়েকশো মিটার১০ km থেকে বহু km; amplifier দিয়ে হাজার km
ক্ষতিপ্রতি km কয়েক dBপ্রতি km প্রায় ০.২–০.৪ dB
কোথায়ভবনের ভেতর, data centerISP, FTTH, শহরের মাঝে, সমুদ্রের নিচে
আবরণের প্রচলিত রংকমলা বা aquaহলুদ (প্রচলন মাত্র, নিশ্চয়তা নয়)

Fiber-এর বিশাল ক্ষমতার রহস্য দুটি: আলোর frequency প্রায় ২০০ THz (১৫৫০ nm-এ), তাই এর সামান্য অংশও বিশাল bandwidth; আর কাচ এত খাঁটি যে ১৫৫০ nm-এ প্রতি km-এ ক্ষতি মাত্র ~০.২ dB — ১৫ km পরেও আলোর অর্ধেক থাকে। বাড়তি সুবিধা: বৈদ্যুতিক নয়েজ fiber-কে ছোঁয় না, বজ্রপাতের বিদ্যুৎ বয়ে আনে না। অসুবিধা: splice আর connector লাগাতে দক্ষতা ও যন্ত্র লাগে, আর বেশি বাঁকালে আলো বেরিয়ে যায়।

বাসায় fiber — FTTH, GPON, OLT আর ONT

বাংলাদেশের শহরগুলোতে অনেক ISP এখন FTTH (Fiber To The Home) দিচ্ছে — বাসার ভেতরে একটি ছোট বাক্স আসে, যার এক দিকে হলুদ fiber, অন্য দিকে Ethernet আর Wi-Fi. প্রচলিত প্রযুক্তি PON (Passive Optical Network), বিশেষ করে GPON (ITU-T G.984) — যদিও কোন ISP কোন প্রযুক্তি (GPON, EPON, XGS-PON) ব্যবহার করে তা ISP-ভেদে আলাদা।

  • OLT (Optical Line Terminal): ISP-র অফিস বা POP-এ বসানো যন্ত্র, একটি port থেকে একটি fiber বেরোয়।
  • Optical splitter: খুঁটি বা ভবনের বাক্সে বসানো বিদ্যুৎহীন (“passive”) কাচের যন্ত্র, এক fiber-এর আলো ৮–৬৪ ভাগে ভাগ করে। ১:৩২-এ আদর্শ ক্ষতি 10·log1032 = ১৫.০৫ dB, বাস্তবে প্রায় ১৭ dB.
  • ONT/ONU: আপনার বাসার বাক্স, আলোকে আবার Ethernet-এ রূপ দেয়।

এখানে multiplexing আগেভাগে উঁকি দেয়: GPON-এ নিচের দিকে ১৪৯০ nm আলোয় প্রায় ২.৪৯ Gbps, ওপরের দিকে ১৩১০ nm আলোয় প্রায় ১.২৪ Gbps — দুই দিক আলাদা রঙে একই fiber-এ (WDM, অংশ ৯)। নিচের ডেটা সব বাসায় সম্প্রচার হয়, প্রতিটি ONT নিজের অংশ নেয়; ওপরের দিকে বাসাগুলো OLT-র দেওয়া সময়-slot-এ পালা করে পাঠায় (TDM, অংশ ৮)।

পূর্ণ সমাধান — একটি FTTH লাইনের power budget

প্রশ্ন: OLT-র transmitter ৩ dBm শক্তিতে আলো পাঠায়। পথে ১৫ km single-mode fiber (পরিকল্পনার জন্য রক্ষণশীল মান ০.৩৫ dB/km), একটি ১:৩২ splitter (১৭ dB), ৪টি connector (প্রতিটি ০.৫ dB) আর ৬টি splice বা জোড় (প্রতিটি ০.১ dB). ONT-র receiver অন্তত −২৮ dBm পেলে কাজ করে। লাইন চলবে? Margin কত?

ধাপ ১ — সব ক্ষতি যোগ (dB-তে যোগ করা যায়): fiber ১৫ × ০.৩৫ = ৫.২৫; splitter ১৭.০০; connector ৪ × ০.৫ = ২.০০; splice ৬ × ০.১ = ০.৬০. মোট = ২৪.৮৫ dB.

ধাপ ২ — গ্রাহকের শক্তি: ৩ dBm − ২৪.৮৫ dB = −২১.৮৫ dBm.

ধাপ ৩ — margin: −২১.৮৫ − (−২৮) = ৬.১৫ dB — চলবে, বয়স আর নোংরা connector-এর জন্য জায়গাও আছে। সবচেয়ে বড় খরচ fiber নয়, splitter.

সমুদ্রের নিচে — submarine cable আর amplifier

পর্ব ০১-এ দেখেছেন, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ইন্টারনেটের বড় অংশ আসে submarine cable-এ — কক্সবাজারে SEA-ME-WE 4, কুয়াকাটায় SEA-ME-WE 5. কয়েক হাজার km-এ ক্ষতি বিশাল, তাই প্রতি কয়েক দশ km (সাধারণত ৫০–১০০ km) পরপর সমুদ্রতলে একটি repeater.

আধুনিক কেবলে এই repeater আসলে optical amplifier — সাধারণত EDFA (erbium-doped fiber amplifier), যা আলোকে বৈদ্যুতিক সংকেতে না বদলে সরাসরি, আর একসাথে সব WDM channel-কে জোরালো করে। পুরোনো regenerator প্রতিটি channel আলাদা করে আলো → বিট → আলো করত — ধীর আর দামি। Amplifier-এর বিদ্যুৎ যায় তীর থেকে কেবলের তামার স্তর দিয়ে।

৫ · বেতার মাধ্যম — spectrum, টাওয়ার আর উপগ্রহ

বেতারে মাধ্যম হলো তড়িৎ-চৌম্বক তরঙ্গ নিজেই। এর পুরো পরিসর electromagnetic spectrum — রেডিও, microwave, infrared, দৃশ্যমান আলো, তারপর আরও ওপরে। সব তরঙ্গ শূন্যে আলোর গতিতে চলে, আর c = f·λ; ২.৪ GHz Wi-Fi-র তরঙ্গদৈর্ঘ্য ১২.৫ cm.

সাধারণ নিয়ম: frequency যত বেশি, bandwidth তত বেশি পাওয়া যায় (বেশি ডেটা), কিন্তু তরঙ্গ তত সোজা চলে আর বাধায় তত বেশি আটকায়। নিচু frequency দেয়াল ভেদ করে, পাহাড়ের পাশ দিয়ে বেঁকে যায়; উঁচু frequency আলোর মতো আচরণ করে।

ধরনমোটামুটি পরিসরআচরণউদাহরণ
রেডিওকয়েক kHz – প্রায় ১ GHzসব দিকে ছড়ায় (omnidirectional), দেয়াল ভেদ করে, অনেক দূর যায়AM/FM রেডিও, টিভি সম্প্রচার, নিচু band-এর মোবাইল
Microwaveপ্রায় ১ – ৩০০ GHzসরু রশ্মিতে তাক করা যায়, line of sight লাগে, বৃষ্টিতে উঁচু band দুর্বলWi-Fi, মোবাইল, টাওয়ার-থেকে-টাওয়ার dish, উপগ্রহ
Infraredপ্রায় ৩০০ GHz – ৪০০ THzদেয়াল পার হয় না, ঘরের ভেতরে সীমিত, হস্তক্ষেপ কমটিভির রিমোট, কিছু সেন্সর; fiber-এর আলোও এই পরিসরে

Microwave link — টাওয়ারের ছাদে গোল dish

মোবাইল টাওয়ারের গোল dish দিয়ে অনেক টাওয়ার পাশের টাওয়ারের সাথে যুক্ত (backhaul), যেখানে fiber টানা কঠিন। মাঝে বড় ভবন, গাছ বা পাহাড় চলবে না — microwave link-এর line-of-sight শর্ত। পৃথিবী গোল বলে দূরত্বেরও সীমা: স্বাভাবিক আবহ-প্রতিসরণ ধরে রেডিও দিগন্ত প্রায় d ≈ ৪.১২·√h km (h মিটারে)। দুটি ৫০ m টাওয়ার: ২ × ৪.১২ × √৫০ ≈ ৫৮ km (বাস্তবে আরও কম রাখা হয়)।

উপগ্রহ — GEO আর LEO

উপগ্রহ আকাশে একটি microwave repeater: মাটি থেকে সংকেত নেয় (uplink), অন্য frequency-তে ফেরত পাঠায় (downlink). Geostationary (GEO) উপগ্রহ বিষুবরেখার প্রায় ৩৫,৭৮৬ km ওপরে, মাটি থেকে স্থির দেখায়। কিন্তু মাটি → উপগ্রহ → মাটি অন্তত ২ × ৩৫,৭৮৬ km, আলোর গতিতে ≈ ২৩৯ ms একমুখী, request আর উত্তরে ≈ ৪৭৭ ms (পর্ব ০৫)। ২০১৮ সালে উৎক্ষেপিত বাংলাদেশের প্রথম যোগাযোগ উপগ্রহও GEO কক্ষপথে।

LEO (Low Earth Orbit) উপগ্রহ মাত্র কয়েকশো km ওপরে (যেমন প্রায় ৫৫০ km) — মাটি → উপগ্রহ → মাটি ≈ ১১০০ km ÷ c ≈ ৩.৭ ms. কিন্তু উপগ্রহগুলো দ্রুত সরে যায়, তাই বিশাল বহর আর অবিরাম হাতবদল লাগে। এমন সেবা বাংলাদেশেও সম্প্রতি চালুর খবর এসেছে; দাম আর অনুমোদন সময়ের সাথে বদলায়।

Spectrum কার? Licensed আর unlicensed band

বাতাস সবার, কিন্তু একই জায়গায় একই frequency-তে দুজন জোরে পাঠালে কেউই বোঝা যায় না। তাই প্রতিটি দেশে নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বাংলাদেশে BTRC) spectrum ভাগ করে দেয়, আন্তর্জাতিকভাবে সমন্বয় করে ITU.

  • Licensed band: একটি নির্দিষ্ট band একটি প্রতিষ্ঠান একচেটিয়া ব্যবহার করে, সাধারণত নিলামে কিনে — যেমন মোবাইল অপারেটরদের 2G/4G/5G band. অন্য কেউ সেখানে পাঠালে আইনি অপরাধ। ফলে মান নিয়ন্ত্রণ সম্ভব, কিন্তু খরচ বিশাল।
  • Unlicensed band: শক্তিসীমা আর নিয়ম মানলে লাইসেন্স ছাড়াই যে-কেউ — Wi-Fi, Bluetooth. প্রধান উদাহরণ ISM band ২.৪ GHz (২.৪০০–২.৪৮৩৫ GHz; microwave oven-ও প্রায় ২.৪৫ GHz-এ), আর ৫ GHz-এর কয়েকটি অংশ (মোটামুটি ৫.১৫–৫.৮৫ GHz, দেশভেদে নিয়ম ভিন্ন)।
  • ৬ GHz: ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্র ৫.৯২৫–৭.১২৫ GHz unlicensed ব্যবহারে খুলে দেয় (Wi-Fi 6E/7); অন্য দেশ অংশবিশেষ খুলেছে বা বিবেচনা করছে — বাংলাদেশের জন্য BTRC-র সর্বশেষ নির্দেশনা দেখুন।

Unlicensed মানে বিনামূল্যে, কিন্তু ভিড়ের দায়ও নিজের: ঢাকার একটি অ্যাপার্টমেন্টে কুড়ি-পঁচিশটি Wi-Fi নেটওয়ার্ক দেখা স্বাভাবিক, সবাই একই কয়েকটি channel ভাগ করছে (CSMA/CA — পর্ব ১১ আর ১৪)।

৬ · বেতারের সমস্যা — path loss, multipath আর fading

তারে সংকেত একটি নলের ভেতর দিয়ে যায়। বেতারে সংকেত চারদিকে গোলকের মতো ছড়ায় — যত দূরে, শক্তি তত বড় গোলকের পৃষ্ঠে ভাগ হয়ে যায়। এই দুর্বল হওয়াকে বলে path loss. সবচেয়ে সরল, বাধাহীন খোলা জায়গার জন্য এর সূত্র free-space path loss (FSPL):

FSPL (dB) = 20·log10(4π·d·f / c)

এখানে d মিটারে, f Hz-এ, c = ৩ × ১০৮ m/s. কারণ দুটি: শক্তি ৪πd2 পৃষ্ঠে ছড়ায়, আর গ্রাহক-antenna-র কার্যকর আকার λ2/৪π — মিলিয়ে অনুপাত (৪πd/λ)2, লগারিদমে 20·log. প্রচলিত এককে (d km, f MHz): FSPL = 20·log10d + 20·log10f + ৩২.৪৪.

পূর্ণ সমাধান — Wi-Fi-র link budget

প্রশ্ন: একটি access point ২.৪ GHz-এ ২০ dBm (১০০ mW) শক্তিতে পাঠায়। দুই পাশের antenna-র gain ২ dBi করে। খোলা জায়গায় ১০০ m দূরে ফোন কত শক্তি পাবে?

ধাপ ১ — FSPL: km আর MHz-এ: 20·log10(০.১) + 20·log10(২৪০০) + ৩২.৪৪ = −২০ + ৬৭.৬০ + ৩২.৪৪ = ৮০.০৪ dB. নিচের calculator পুরো সূত্রে পায় ৮০.০৫ — শেষ ঘরের পার্থক্য ৩২.৪৪-কে গোল করার ফল; পরের ধাপে ৮০.০৫ ধরছি।

ধাপ ২ — link budget: Prx = Ptx + Gtx + Grx − FSPL = ২০ + ২ + ২ − ৮০.০৫ = −৫৬.০৫ dBm — প্রায় ২.৫ × ১০−৬ mW, অর্থাৎ পাঠানো শক্তির মোটামুটি চার কোটি ভাগের এক ভাগ! তবু Wi-Fi-র জন্য এটা ভালো সংকেত; অনেক ফোন −৭০ থেকে −৮০ dBm-এর কাছেও সংযোগ রাখে, যদিও তখন গতি কমে।

মনে রাখার নিয়ম: দূরত্ব দ্বিগুণ → +৬ dB (20·log102 = ৬.০২); দশ গুণ → +২০ dB. ২.৪ থেকে ৫ GHz-এ একই দূরত্বে +৬.৪ dB — ৫ GHz-এর পরিসর কম মনে হওয়ার একটি কারণ।

বাস্তবে পরিস্থিতি খোলা মাঠের চেয়ে খারাপ, তিনটি কারণে:

  • বাধা আর শোষণ: ইট, কংক্রিট, এমনকি মানুষের শরীর সংকেত শুষে নেয়; ঘরের ভেতরে ক্ষতি দূরত্বের সাথে d2-এর চেয়ে দ্রুত বাড়ে (মডেলে প্রায়ই d3–d4).
  • Multipath: সংকেত সরাসরি পথে ছাড়াও দেয়াল, আলমারি, পাশের ভবন থেকে প্রতিফলিত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন দেরিতে পৌঁছায়। কপিগুলো কোথাও যোগ হয়ে জোরালো, কোথাও উল্টো দশায় বাতিল হয়। পাশাপাশি দুটি বিটের প্রতিধ্বনি মিশে গেলে (inter-symbol interference) error বাড়ে।
  • Fading: multipath-এর ফলে সংকেতের শক্তি জায়গা আর সময়ের সাথে দ্রুত ওঠানামা করে — ফোন কয়েক সেন্টিমিটার সরালেই সংকেত বদলানোর কারণ এটাই (১২.৫ cm তরঙ্গের অর্ধেক সরলেই দশা উল্টে যায়)।

আধুনিক বেতার এর সাথে লড়ে একাধিক antenna (MIMO), band-কে শত শত সরু উপ-channel-এ ভাগ করা OFDM (একরকম FDM; ধীর উপ-channel-এ প্রতিধ্বনি কম মেশে) আর error correction (পর্ব ০৯) দিয়ে। নিচের calculator FSPL-এর টেবিল বানায় আর অংশ ৪-এর fiber budget যাচাই করে:

// (1) Free-space path loss: FSPL(dB) = 20 log10(4 pi d f / c)
const c = 299792458;
const fspl = (d, f) => 20 * Math.log10(4 * Math.PI * d * f / c);
console.log("distance | 2.4 GHz  | 5 GHz    | 6 GHz");
for (const d of [1, 10, 100, 200]) {
  console.log(String(d + " m").padStart(8) + " | " + [2.4e9, 5e9, 6e9]
    .map(f => fspl(d, f).toFixed(2) + " dB").join(" | "));
}
// Wi-Fi link budget: 20 dBm transmitter, 2 dBi antenna at each end, 100 m
const rx = 20 + 2 + 2 - fspl(100, 2.4e9);
console.log("Wi-Fi rx power at 100 m, 2.4 GHz: " + rx.toFixed(2) + " dBm");

// (2) Fiber attenuation budget for one GPON-like home link
const tx = 3, sens = -28;                 // dBm: transmitter, receiver minimum
const items = [["fiber 15 km x 0.35 dB/km", 15 * 0.35],
               ["1:32 splitter", 17.0],
               ["4 connectors x 0.5 dB", 4 * 0.5],
               ["6 splices x 0.1 dB", 6 * 0.1]];
let loss = 0;
for (const [name, dB] of items) {
  loss += dB;
  console.log(name.padEnd(26) + dB.toFixed(2).padStart(6) + " dB");
}
const rxF = tx - loss;
console.log("total loss " + loss.toFixed(2) + " dB, rx = " + rxF.toFixed(2) +
  " dBm, margin = " + (rxF - sens).toFixed(2) + " dB");
console.log("ideal 1:32 split = 10 log10(32) = " + (10 * Math.log10(32)).toFixed(2) + " dB");

আউটপুট (প্রতিবার একই):

distance | 2.4 GHz  | 5 GHz    | 6 GHz
     1 m | 40.05 dB | 46.43 dB | 48.01 dB
    10 m | 60.05 dB | 66.43 dB | 68.01 dB
   100 m | 80.05 dB | 86.43 dB | 88.01 dB
   200 m | 86.07 dB | 92.45 dB | 94.03 dB
Wi-Fi rx power at 100 m, 2.4 GHz: -56.05 dBm
fiber 15 km x 0.35 dB/km    5.25 dB
1:32 splitter              17.00 dB
4 connectors x 0.5 dB       2.00 dB
6 splices x 0.1 dB          0.60 dB
total loss 24.85 dB, rx = -21.85 dBm, margin = 6.15 dB
ideal 1:32 split = 10 log10(32) = 15.05 dB

প্রতিটি কলামে দূরত্ব ১০ গুণে ঠিক ২০ dB বাড়ে, ১০০ থেকে ২০০ m-এ ৬.০২ dB; একই দূরত্বে ৫ GHz-এ ৬.৩৮ dB আর ৬ GHz-এ ৭.৯৬ dB বেশি। Wi-Fi আর fiber-এর লাইন দুটি হাতের হিসাবের সাথে হুবহু মেলে (−৫৬.০৫ dBm; ২৪.৮৫ dB, margin ৬.১৫ dB). ২০০ m বেতারে ক্ষতি ~৮৬ dB, আর ১৫ km fiber-এ মাত্র ৫.২৫ dB — মাধ্যমের পার্থক্য এক নজরে।

৭ · FDM — frequency ভাগ করে নেওয়া

এ পর্যন্ত দেখলেন মাধ্যম কতটা ক্ষমতা দেয়। কিন্তু একটি fiber বা একটি বেতার band-এর ক্ষমতা একজনের দরকারের চেয়ে বহু গুণ বড়। একে বহুজনের মধ্যে ভাগ করার কৌশলের নাম multiplexing: প্রেরকের দিকে একটি multiplexer (MUX) অনেক প্রবাহকে এক মাধ্যমে জোড়ে, গ্রাহকের দিকে demultiplexer (DEMUX) আবার আলাদা করে। পর্ব ০৪-এ circuit বোঝার জন্য FDM আর TDM-এর ছোট পরিচয় পেয়েছেন (Circuit switching আর packet switching); এখানে পুরো ছবি।

FDM (Frequency Division Multiplexing)-এ মাধ্যমের পুরো frequency পরিসরকে কয়েকটি সরু ব্যান্ডে ভাগ করা হয়। প্রতিটি প্রবাহ নিজের ব্যান্ডে, সারাক্ষণ, একসাথে পাঠায়। প্রতিটি উৎসের সংকেতকে modulation দিয়ে নিজের carrier frequency-তে সরিয়ে নেওয়া হয় (পর্ব ০৭), গ্রাহক filter দিয়ে শুধু নিজের ব্যান্ড ছেঁকে নেয় — রেডিওর নব ঘুরিয়ে ৮৮.০ থেকে ১০৪.০ MHz-এ স্টেশন বদলানোর মতো।

পাশাপাশি দুটি ব্যান্ড একদম গা ঘেঁষে থাকলে filter নিখুঁত নয় বলে একটির কিনারা আরেকটিতে চুঁইয়ে পড়ে। তাই মাঝে একটু ফাঁকা রাখা হয় — guard band. এটা অপচয়, কিন্তু নিরাপত্তার দাম; রাস্তার দুই লেনের মাঝের সাদা দাগের জায়গার মতো।

পূর্ণ সমাধান — FDM-এ channel বরাদ্দ

প্রশ্ন: একটি link-এর ব্যবহারযোগ্য পরিসর ৬০০ kHz থেকে ১৬০০ kHz. প্রতিটি channel-এর জন্য ৮০ kHz লাগে, আর পাশাপাশি দুটি channel-এর মাঝে ২০ kHz guard band রাখতে হবে। সর্বোচ্চ কতগুলো channel বসানো যাবে? প্রতিটির পরিসর কী?

ধাপ ১ — সূত্র: n টি channel-এর মাঝে guard band n − ১ টি (দুই প্রান্তে নয়)। দরকারি bandwidth = ৮০n + ২০(n − ১) ≤ ১০০০ kHz. অর্থাৎ ১০০n − ২০ ≤ ১০০০ → n ≤ ১০.২ → n = ১০.

ধাপ ২ — বরাদ্দ: channel ১: ৬০০–৬৮০, guard ৬৮০–৭০০; channel ২: ৭০০–৭৮০; … প্রতিটি channel আগেরটির ১০০ kHz পরে শুরু। channel k: (৬০০ + ১০০(k − ১)) থেকে (৬৮০ + ১০০(k − ১)) kHz. শেষটি channel ১০: ১৫০০–১৫৮০ kHz; ১৫৮০–১৬০০ kHz-এর ২০ kHz অব্যবহৃত।

ধাপ ৩ — দক্ষতা: ব্যবহৃত ১০ × ৮০ = ৮০০ kHz, guard ৯ × ২০ = ১৮০ kHz, বাকি ২০. দক্ষতা ৮০০ ÷ ১০০০ = ৮০%. পরীক্ষায় উল্টো প্রশ্নও আসে: “৫টি channel, প্রতিটি ১০০ kHz, মাঝে ১০ kHz guard — ন্যূনতম bandwidth?” উত্তর ৫ × ১০০ + ৪ × ১০ = ৫৪০ kHz.

চেনা উদাহরণ — Wi-Fi-র channel ১, ৬, ১১: ২.৪ GHz-এ channel n-এর কেন্দ্র = ২৪১২ + ৫(n − ১) MHz, অথচ প্রতিটি সংকেত প্রায় ২০ MHz চওড়া — পাশাপাশি channel একে অপরের ওপর চেপে বসে। channel ১ (২৪০২–২৪২২), ৬ (২৪২৭–২৪৪৭) আর ১১ (২৪৫২–২৪৭২)-এর মাঝে ৫ MHz করে ফাঁকা — guard band. তাই ২.৪ GHz-এ শুধু ১, ৬, ১১ ব্যবহারের পরামর্শ; পাশের ফ্ল্যাটের router channel ৩-এ থাকলে ১ আর ৬ দুটিকেই বিরক্ত করে।

অন্য উদাহরণ: AM/FM রেডিও, ক্যাবল টিভি, ADSL (একই টেলিফোন তারে নিচের ব্যান্ডে কণ্ঠ, ওপরে ডেটা)। দুর্বলতা: কেউ চুপ থাকলেও তার ব্যান্ড খালি পড়ে থাকে।

৮ · TDM — সময় ভাগ করে নেওয়া: synchronous, T1, E1 আর statistical

TDM-এ সবাই পুরো bandwidth ব্যবহার করে, কিন্তু পালা করে: সময় ভাগ হয় frame-এ, frame ভাগ হয় slot-এ। Synchronous TDM-এ প্রতিটি উৎসের প্রতি frame-এ একটি নির্দিষ্ট slot — ডেটা থাকুক বা না থাকুক; অবস্থানই মালিক চেনায়, ঠিকানা লাগে না। frame-এর শুরু চেনাতে বসানো হয় framing bit-এর একটি জানা নকশা।

মহল্লার একটি মাত্র রিকশা তিনটি বাড়ির বাচ্চাদের স্কুলে নেয়: প্রথমে আলমের বাসা, তারপর বিথীর, তারপর চন্দনের — প্রতিদিন একই ক্রম। রিকশাচালককে কোনো তালিকা দেখতে হয় না, ক্রমই বলে দেয় কে কোথায়। চন্দন অসুস্থ হলেও রিকশা তার বাসার সামনে থেমে খালি চলে যায় — জায়গাটা নষ্ট। এটাই synchronous TDM-এর সৌন্দর্য আর অপচয়।

নিচের ডায়াগ্রামে তিনটি উৎস — A, B, C — প্রত্যেকে ৮ kbps হারে ডেটা দেয়। প্রতি slot-এ ১ byte (৮ বিট), প্রতি frame-এ ১টি framing বিট (F). প্রতিটি উৎস প্রতি সেকেন্ডে ৮,০০০ ÷ ৮ = ১,০০০ byte দেয়, তাই frame চাই সেকেন্ডে ১,০০০টি:

1A, B, C: 8 kbps each, slot = 8 bits, +1 framing bit2frame 1: [F|A1|B1|C1]   t = 0 .. 1 ms3frame 2: [F|A2|B2|--]   C has nothing to send4frame 3: [F|A3|B3|C3]   t = 2 .. 3 ms5DEMUX: find F, then slot 1 -> A, 2 -> B, 3 -> C69 slots sent, 8 carried data
লিংকের অবস্থা
A-র সারি
B-র সারি
C-র সারি
link-এ গেল
গ্রাহক পেল
  1. প্রস্তুতি। প্রতি frame-এ ৩টি slot × ৮ বিট + ১টি framing বিট = ২৫ বিট. প্রতিটি উৎস সেকেন্ডে ১,০০০ byte দেয়, তাই সেকেন্ডে ১,০০০টি frame, প্রতিটি ১ ms দীর্ঘ। link-এর দরকারি হার ২৫ × ১,০০০ = ২৫ kbps — তিন উৎসের যোগফল ২৪ kbps-এর চেয়ে ১ kbps বেশি, সেটুকু framing-এর খরচ।
  2. Frame ১. MUX প্রথমে F, তারপর A-র প্রথম byte, B-র প্রথম byte, C-র প্রথম byte বসায়। link ২৫ kbps-এ চলে, তাই প্রতিটি বিট ৪০ μs, প্রতিটি slot ৮ × ৪০ = ৩২০ μs. পুরো frame ৪০ + ৩ × ৩২০ = ১০০০ μs = ১ ms.
  3. Frame ২ — C চুপ। C-র এই মুহূর্তে পাঠানোর কিছু নেই। কিন্তু synchronous TDM-এ C-র slot তবুও যায়, খালি অবস্থায় (--)। ৩২০ μs link-এর সময় নষ্ট হলো, অথচ A বা B চাইলে তা কাজে লাগাতে পারত।
  4. Frame ৩. C আবার সক্রিয়: F, A3, B3, C3. তিন frame-এ মোট ৩ × ২৫ = ৭৫ বিট, ৩ ms-এ।
  5. DEMUX. গ্রাহক বিটের স্রোতে framing নকশা খুঁজে frame-এর শুরু ধরে, তারপর শুধু গোনে: ১ম slot → A, ২য় → B, ৩য় → C. কোনো ঠিকানা পড়তে হয় না — অবস্থানই পরিচয়। তবে তাল একবার হারালে (sync loss) পুরো frame ভুল জায়গায় যায়, তাই framing নকশা পুনরুদ্ধার জরুরি।
  6. দক্ষতা। ৯টি data slot পাঠানো হয়েছে, কাজের ডেটা ছিল ৮টিতে — ৮৮.৯%. উৎসগুলো যত bursty (পর্ব ০৪), synchronous TDM-এ অপচয় তত বেশি। এর সমাধান statistical TDM — একটু পরে।

T1 আর E1 — ডিজিটাল টেলিফোনের হার কোথা থেকে আসে

ডিজিটাল টেলিফোনে কণ্ঠস্বরকে প্রতি সেকেন্ডে ৮,০০০ বার নমুনা নেওয়া হয় (প্রায় ৪ kHz কণ্ঠ-bandwidth-এর দ্বিগুণ — পর্ব ০৭-এর Nyquist), প্রতিটি নমুনা ৮ বিট: ৮,০০০ × ৮ = ৬৪ kbps, একে বলে DS0. তাই TDM frame প্রতি ১/৮,০০০ s = ১২৫ μs-এ একবার, প্রতিটি slot-এ একটি নমুনা।

T1 (উত্তর আমেরিকা ও জাপান; Bell System ১৯৬০-এর দশকের শুরুতে চালু করে): ২৪টি কণ্ঠ-channel. প্রতি frame = ২৪ × ৮ + ১ framing বিট = ১৯৩ বিট. হার = ১৯৩ × ৮,০০০ = ১,৫৪৪,০০০ bps = ১.৫৪৪ Mbps. এর মধ্যে ১.৫৩৬ Mbps কণ্ঠ, ৮ kbps framing.

E1 (ইউরোপ, বাংলাদেশসহ এশিয়ার বেশিরভাগ দেশ; ITU-T মান): ৩২টি slot, আলাদা framing বিট নেই। ৩২ × ৮ × ৮,০০০ = ২.০৪৮ Mbps. তবে slot ০ framing ও সতর্কবার্তার কাজে, আর সাধারণত slot ১৬ signalling-এর কাজে, তাই কণ্ঠ-channel ৩০টি (৩০ × ৬৪ = ১.৯২ Mbps). আজও মোবাইল টাওয়ার আর ব্যাংক-শাখার পুরোনো সংযোগে “E1 লাইন” কথাটা শোনা যায়।

// Synchronous TDM: n sources, one slot of k bits each per frame,
// plus f framing bits per frame. Frames repeat 'fps' times per second.
function tdm(name, n, k, f, fps) {
  const frameBits = n * k + f;
  const rate = frameBits * fps;                 // link rate, bits/s
  console.log(name.padEnd(8) + "| " + String(n).padStart(2) + " x " + k + " + " + f +
    " = " + String(frameBits).padStart(3) + " bits | " + (1e6 / fps).toFixed(0).padStart(5) +
    " us | " + (rate / 1e6).toFixed(3) + " Mbps | per slot " + (k * fps / 1e3) + " kbps" +
    " | overhead " + (100 * f / frameBits).toFixed(2) + "%");
}
console.log("name    | n x k + f = bits      | frame    | link rate  | slot rate, overhead");
tdm("T1", 24, 8, 1, 8000);      // 24 voice channels + 1 framing bit
tdm("E1", 32, 8, 0, 8000);      // 32 slots; slot 0 does framing itself
tdm("3-src", 3, 8, 1, 1000);    // 3 sources of 8 kbps, byte slots
// E1 really carries 30 voice channels: slot 0 = framing, slot 16 = signalling
console.log("E1 voice payload: 30 x 64 kbps = " + 30 * 64 + " kbps");
// Interleave 3 sources into frames (one byte = one letter here)
const src = { A: "A1A2A3", B: "B1B2B3", C: "C1--C3" };   // C is idle in frame 2
for (let fr = 0; fr < 3; fr++) {
  const slots = Object.keys(src).map(s => src[s].substr(fr * 2, 2));
  console.log("frame " + (fr + 1) + ": [F|" + slots.join("|") + "]");
}

আউটপুট:

name    | n x k + f = bits      | frame    | link rate  | slot rate, overhead
T1      | 24 x 8 + 1 = 193 bits |   125 us | 1.544 Mbps | per slot 64 kbps | overhead 0.52%
E1      | 32 x 8 + 0 = 256 bits |   125 us | 2.048 Mbps | per slot 64 kbps | overhead 0.00%
3-src   |  3 x 8 + 1 =  25 bits |  1000 us | 0.025 Mbps | per slot 8 kbps | overhead 4.00%
E1 voice payload: 30 x 64 kbps = 1920 kbps
frame 1: [F|A1|B1|C1]
frame 2: [F|A2|B2|--]
frame 3: [F|A3|B3|C3]

T1-এর লাইনে ১৯৩ বিট, ১২৫ μs, ১.৫৪৪ Mbps — হাতের হিসাব; framing-এর খরচ ০.৫২%. E1-এ “০%” কারণ আলাদা framing বিট নেই; আসল খরচ slot ০ আর ১৬-এ, তাই কণ্ঠের জন্য থাকে ১৯২০ kbps (৯৩.৭৫%). তিন-উৎসের লাইন আর শেষ তিনটি frame stepper-এর সংখ্যা, খালি slot-সহ।

Statistical TDM — খালি slot আর নয়

Statistical TDM (asynchronous TDM)-এ slot কারও নামে স্থায়ী নয়: যার ডেটা আছে, শুধু তার জন্য slot. Frame-এ slot-সংখ্যা উৎস-সংখ্যার চেয়ে কম রাখা যায়, কারণ সবাই একসাথে সক্রিয় হন না — পর্ব ০৪-এর statistical multiplexing-এর ধারণা। কিন্তু অবস্থান আর মালিক বলে না, তাই প্রতিটি slot-এ মালিকের ঠিকানা লাগে, আর ভিড়ের মুহূর্তে buffer.

ছোট হিসাব: ৪টি উৎস, সক্রিয় অবস্থায় প্রত্যেকে ১০ kbps; synchronous TDM-এ লাগবে ৪০ kbps. Statistical TDM-এ link ২০ kbps, প্রতি slot-এ ২ বিট ঠিকানা আর ৮ বিট ডেটা → ডেটা-ক্ষমতা ১৬ kbps. প্রত্যেকে ৩০% সময় সক্রিয় হলে গড় চাহিদা ১২ kbps — কাজ চলে, তবে সবাই একসাথে পাঠালে সারি। Packet switching এই ধারণারই চূড়ান্ত রূপ।

৯ · WDM, spread spectrum আর CDMA — রং আর code দিয়ে ভাগ

WDM — একই fiber-এ অনেক রঙের আলো

WDM (Wavelength Division Multiplexing) আলোর জগতে FDM: প্রতিটি channel আলাদা তরঙ্গদৈর্ঘ্যের (রঙের) laser-এ, সব রং এক fiber-এ মিশে চলে, অন্য প্রান্তে optical filter রংগুলো আলাদা করে। নতুন কেবল না টেনে শুধু দুই প্রান্তের যন্ত্র বদলে ক্ষমতা বহু গুণ বাড়ানোর সবচেয়ে সস্তা পথ এটাই।

  • CWDM (coarse): channel-গুলো ২০ nm দূরে দূরে, সর্বোচ্চ ১৮টি; সস্তা, স্বল্প দূরত্বে।
  • DWDM (dense): ১৫৫০ nm-এর চারপাশের C-band-এ channel-গুলো খুব ঘন — ITU-T G.694.1-এর গ্রিডে ১০০ বা ৫০ GHz (প্রায় ০.৮ বা ০.৪ nm) দূরে দূরে; এক fiber-এ কয়েক ডজন থেকে শতাধিক channel, প্রতিটি ১০০ Gbps বা তারও বেশি। EDFA এই পুরো band একসাথে জোরালো করে বলেই submarine cable-এ DWDM এত কার্যকর।
  • সবচেয়ে কাছের উদাহরণ: অংশ ৪-এর GPON — নিচে ১৪৯০ nm, ওপরে ১৩১০ nm, কিছু ব্যবস্থায় টিভির জন্য ১৫৫০ nm.

Spread spectrum — সরু সংকেতকে চওড়া করে ছড়ানো

সাধারণ যুক্তিতে bandwidth দামি, যত সরু তত ভালো। Spread spectrum ইচ্ছা করে সংকেতকে অনেক চওড়া band-এ ছড়ায় — সরু band-এর হস্তক্ষেপ বা জ্যামিং তখন পুরো সংকেত নষ্ট করতে পারে না। দুটি প্রধান রূপ:

  • FHSS (frequency hopping): প্রেরক-গ্রাহক একটি গোপন ক্রম মেনে খুব দ্রুত channel বদলায়। Classic Bluetooth ৭৯টি ১ MHz channel-এ সেকেন্ডে প্রায় ১,৬০০ বার লাফায় — একটি channel-এ Wi-Fi-র ভিড় থাকলে সামান্য ক্ষতি, পরের লাফেই অন্য জায়গা।
  • DSSS (direct sequence): প্রতিটি ডেটা-বিটকে অনেকগুলো ছোট “chip”-এর একটি নকশা দিয়ে গুণ করা হয়; chip-হার বিট-হারের চেয়ে বহু গুণ বেশি, তাই spectrum চওড়া। পুরোনো 802.11b তার ১ ও ২ Mbps হারে প্রতি বিটে ১১-chip-এর Barker code ব্যবহার করত। এই ধারণারই বহুজনের রূপ CDMA.

CDMA — সবাই একসাথে, একই frequency-তে

CDMA (Code Division Multiple Access)-এ সবাই একই সময়ে, একই পুরো band-এ পাঠায়; আলাদা করে code. বিমানবন্দরের লাউঞ্জে কেউ বাংলায়, কেউ আরবিতে, কেউ চীনা ভাষায় কথা বলছেন — আপনি শুধু বাংলাটুকু স্পষ্ট শোনেন, বাকিটা গুঞ্জন। CDMA-তে “ভাষা” হলো chip-ক্রম।

শর্ত একটাই — code-গুলোকে অর্থোগোনাল হতে হবে: দুটি ভিন্ন code-এর dot product (ঘর ধরে গুণ করে যোগফল) শূন্য, আর নিজের সাথে dot product = code-এর দৈর্ঘ্য। এমন code বানানোর পরিচিত উপায় Walsh code — Hadamard ম্যাট্রিক্সের সারি: H1 = [+1], আর H2n = [[Hn, Hn], [Hn, −Hn]]. ৪-chip-এর চারটি code:

W0 = [+1 +1 +1 +1]   W1 = [+1 −1 +1 −1]   W2 = [+1 +1 −1 −1]   W3 = [+1 −1 −1 +1]

Encode: বিট 1 → +1, বিট 0 → −1, চুপ থাকলে 0; তারপর এই মান দিয়ে নিজের code গুণ। চ্যানেল: সবার chip-ক্রম বাতাসে যোগ হয়ে যায়। Decode: গ্রাহক মোট সংকেতের সাথে প্রেরকের code-এর dot product নিয়ে code-দৈর্ঘ্য (৪) দিয়ে ভাগ করে — +1 মানে 1, −1 মানে 0, 0 মানে চুপ।

কেন কাজ করে (প্রমাণ): মোট সংকেত S = Σ dj·Cj. স্টেশন i-এর code দিয়ে: S·Ci = Σ dj·(Cj·Ci). j ≠ i হলে Cj·Ci = ০ (অর্থোগোনাল), j = i হলে = ৪. তাই S·Ci = ৪·di, অর্থাৎ (S·Ci)/৪ = di — বাকি সবার সংকেত গাণিতিকভাবে নিখুঁতভাবে মুছে যায়।

1A: W1 = [+1 -1 +1 -1]  B: W2  C: W32A sends 1 -> +1 x W1 = [+1 -1 +1 -1]3B sends 0 -> -1 x W2 = [-1 -1 +1 +1]4C sends 1 -> +1 x W3 = [+1 -1 -1 +1]5channel adds chips: S = [+1 -3 +1 +1]6S.W1/4 = +1 -> A sent 1;  S.W2/4 = -1 -> B sent 07S.W3/4 = +1 -> C sent 1;  S.W0/4 = 0 -> silent
chip-এর হিসাব
A-র chip
B-র chip
C-র chip
চ্যানেল S
decode
  1. Code বরাদ্দ। A, B, C পেল W1, W2, W3. W1·W2 = ১ − ১ − ১ + ১ = ০; বাকি জোড়াও ০, আর প্রতিটি নিজের সাথে ৪. W0 কাউকে দেওয়া হয়নি।
  2. A পাঠায় 1. বিট 1 মানে +1, তাই A-র chip-ক্রম হুবহু W1. একটি বিটে চারটি chip — spectrum ৪ গুণ চওড়া।
  3. B পাঠায় 0. বিট 0 মানে −1, তাই B-র chip হলো −1 × W2 = [−1 −1 +1 +1] — নিজের code-এর উল্টো।
  4. C পাঠায় 1. +1 × W3 = [+1 −1 −1 +1]. তিনজন একই মুহূর্তে, একই frequency-তে।
  5. চ্যানেলে যোগ। বেতারে সংকেত নিজে থেকেই যোগ হয়। chip ধরে: প্রথম chip ১ − ১ + ১ = +১, দ্বিতীয় −১ − ১ − ১ = −৩, তৃতীয় ১ + ১ − ১ = +১, চতুর্থ −১ + ১ + ১ = +১. S = [+1 −3 +1 +1] — দেখে কারও বিট বোঝার উপায় নেই।
  6. A আর B-র decode. A-র গ্রাহক S·W1 = (১)(১) + (−৩)(−১) + (১)(১) + (১)(−১) = ১ + ৩ + ১ − ১ = ৪, ভাগ ৪ = +১ → বিট 1. B-র গ্রাহক S·W2 = ১ − ৩ − ১ − ১ = −৪, ভাগ ৪ = −১ → বিট 0. দুটোই সঠিক।
  7. C আর অব্যবহৃত code. S·W3 = ১ + ৩ − ১ + ১ = ৪ → বিট 1. আর কেউ W0 দিয়ে শুনলে S·W0 = ১ − ৩ + ১ + ১ = ০ → চুপ, কারণ ওই code-এ কেউ কথা বলেনি। বাকি সবার সংকেত অর্থোগোনালিটির জন্য শূন্য হয়ে গেছে।

নিচের simulator একই কাজ তিনটি বিটের ক্রমে করে — A পাঠায় 1 0 1, B পাঠায় 0 0 1, আর C পাঠায় 1 1, তৃতীয় বিটে চুপ:

// CDMA with 4-chip Walsh codes (rows of a 4x4 Hadamard matrix).
// Bit 1 -> +1, bit 0 -> -1, silent -> 0. Everyone transmits at once.
const W = [[1, 1, 1, 1], [1, -1, 1, -1], [1, 1, -1, -1], [1, -1, -1, 1]];
const dot = (a, b) => a.reduce((s, x, i) => s + x * b[i], 0);
console.log("W1.W2 = " + dot(W[1], W[2]) + ", W1.W3 = " + dot(W[1], W[3]) +
  ", W2.W3 = " + dot(W[2], W[3]) + ", W1.W1 = " + dot(W[1], W[1]));

const st = { A: { code: W[1], bits: [1, 0, 1] },
             B: { code: W[2], bits: [0, 0, 1] },
             C: { code: W[3], bits: [1, 1, null] } };   // C silent for bit 3
const fmt = v => v.map(x => (x >= 0 ? "+" : "") + x).join(" ");
for (let k = 0; k < 3; k++) {
  let channel = [0, 0, 0, 0];
  for (const s in st) {
    const b = st[s].bits[k];
    const d = b === null ? 0 : (b ? 1 : -1);
    channel = channel.map((x, i) => x + d * st[s].code[i]);
  }
  const out = Object.keys(st).map(s => {
    const v = dot(channel, st[s].code) / 4;
    return s + "=" + (v > 0 ? 1 : v < 0 ? 0 : "-") + " (" + v + ")";
  });
  console.log("bit " + (k + 1) + " channel [" + fmt(channel) + "] -> " + out.join("  "));
}
// An unused code (W0) sees nothing: no station is talking on it
console.log("W0 listener on bit-1 channel: " + dot([1, -3, 1, 1], W[0]) / 4);

আউটপুট:

W1.W2 = 0, W1.W3 = 0, W2.W3 = 0, W1.W1 = 4
bit 1 channel [+1 -3 +1 +1] -> A=1 (1)  B=0 (-1)  C=1 (1)
bit 2 channel [-1 -1 -1 +3] -> A=0 (-1)  B=0 (-1)  C=1 (1)
bit 3 channel [+2 +0 +0 -2] -> A=1 (1)  B=1 (1)  C=- (0)
W0 listener on bit-1 channel: 0

প্রথম লাইন অর্থোগোনালিটির প্রমাণ। bit 1-এর চ্যানেল stepper-এর S, decode A=1, B=0, C=1. তৃতীয় বিটে C চুপ: চ্যানেলে শুধু A আর B [+2 0 0 −2], আর C-র গ্রাহক পায় ঠিক 0 (C=- (0)) — ভুল করে 0 বিট ধরে নেয়নি। বাস্তবে নয়েজ থাকায় মান ঠিক ±১ হয় না, তাই চিহ্ন দেখে সিদ্ধান্ত।

CDMA-র ব্যবহার: IS-95 (১৯৯০-এর দশকে Qualcomm), cdma2000 আর 3G-র WCDMA; বাংলাদেশেও একসময় CDMA-ভিত্তিক মোবাইল সেবা ছিল বলে জানা যায়। GPS উপগ্রহগুলোও একই frequency-তে আলাদা code-এ পাঠায়। 4G আর 5G অবশ্য OFDMA নিয়েছে — কেন, তা ভাবনার প্রশ্ন ৪-এ।

পদ্ধতিকী ভাগ হয়কে কাকে আলাদা করেউদাহরণ
FDMfrequency ব্যান্ডfilter; মাঝে guard bandরেডিও, ক্যাবল টিভি, Wi-Fi channel
Synchronous TDMসময়ের নির্দিষ্ট slotslot-এর অবস্থান; framing বিটT1, E1, GPON-এর upstream slot
Statistical TDMচাহিদামতো slotপ্রতিটি slot-এ ঠিকানাpacket switching-এর পূর্বসূরি
WDMআলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যoptical filter বা prismDWDM backbone, submarine cable, GPON
CDMAcodeঅর্থোগোনাল code-এর dot productIS-95, WCDMA, GPS

আরও গভীরে: 10GBASE-T তামার তারে প্রতি জোড়ায় ১৬-স্তরের সংকেত (PAM-16), crosstalk আর প্রতিধ্বনি বাদ দেওয়ার digital filter আর LDPC error correction ব্যবহার করে — তাই এর chip বেশি গরম হয়। দূরপাল্লার ১০০ Gbps-এর বেশি fiber-এ “coherent” optics আলোর দশা আর দুটি মেরুকরণে তথ্য বসায়, আর chromatic dispersion গ্রাহকের DSP-তে গণিত দিয়ে উল্টে দেয়। Linux-এ link-এর গতি আর duplex আসে driver থেকে, যা ethtool netlink দিয়ে পড়ে।

পরীক্ষা ও ইন্টারভিউতে এই বিষয়ে প্রায়ই যা জিজ্ঞেস করা হয়:

  • Twisted pair-এ তার পেঁচানো হয় কেন? — নয়েজ দুই তারে সমান পড়ে আর differential গ্রাহকে বাতিল হয়; crosstalk-ও কমে।
  • T1-এর হার ১.৫৪৪ Mbps কীভাবে? — (২৪ × ৮ + ১) বিট × ৮,০০০ frame/s = ১৯৩ × ৮,০০০; E1 = ৩২ × ৮ × ৮,০০০ = ২.০৪৮ Mbps.
  • Single-mode আর multimode fiber-এর পার্থক্য? — Core প্রায় ৯ বনাম ৫০/৬২.৫ μm; single-mode-এ modal dispersion নেই, তাই দূরপাল্লায়; multimode সস্তা, স্বল্প দূরত্বে।
  • Synchronous আর statistical TDM-এর পার্থক্য? — প্রথমটিতে প্রতিটি উৎসের স্থির slot (খালি থাকলেও), দ্বিতীয়টিতে চাহিদামতো slot আর প্রতিটি slot-এ ঠিকানা।
  • CDMA-তে গ্রাহক কীভাবে নিজের ডেটা আলাদা করে? — মোট সংকেতের সাথে নিজের code-এর dot product নিয়ে code-দৈর্ঘ্য দিয়ে ভাগ; অর্থোগোনাল code-এ অন্যদের অংশ শূন্য হয়।

১০ · AI-এর যুগে মাধ্যম আর multiplexing-এর হিসাব

কেবল কেনা, fiber budget বা পরীক্ষার অঙ্কে AI কাজের, কিন্তু কিছু ভুল নিয়মিত:

AI-এর সাধারণ ভুলকীভাবে ধরবেন
“Cat6-এ ১০০ m পর্যন্ত ১০ Gbps”TIA-568 অনুযায়ী ১০০ m-এ ১০ Gbps-এর জন্য Cat6a; Cat6-এ সাধারণত ৫৫ m পর্যন্ত
দুটি dBm যোগ করা, বা dB আর dBm একই ধরাdBm − dB = dBm; শক্তি যোগ করতে হলে আগে mW-এ রূপান্তর
FSPL-এ ৩২.৪৪ বসিয়ে d মিটারে বা f GHz-এ দেওয়া৩২.৪৪ শুধু km আর MHz-এর জন্য; মূল সূত্র 20·log10(4πdf/c) দিয়ে আবার হিসাব
T1 = ২৪ × ৬৪ = ১.৫৩৬ Mbps (framing বিট ভুলে যাওয়া), বা E1-এ ৩২টি কণ্ঠ-channelframe = ১৯৩ বিট; E1-এ কণ্ঠ ৩০টি
“আজও PC-থেকে-PC সংযোগে crossover কেবল লাগবেই”Auto-MDI-X আছে কি না যন্ত্রের spec দেখুন
পুরোনো mii-tool বা ifconfig দিয়ে গতি দেখানোআধুনিক Linux-এ ethtool, ip link আর /sys/class/net
অস্তিত্বহীন ITU-T বা IEEE নম্বর উল্লেখITU-T বা IEEE-এর সাইটে নম্বর আর শিরোনাম মিলিয়ে নিন

AI-কে নকশা বা অঙ্ক করতে দিলে অনুমান, একক আর সূত্রের উৎস চেয়ে নিন:

আমাদের অফিসের দুটি ভবনের মধ্যে ৪০০ মিটার দূরত্ব, আর প্রতিটি ভবনের ভেতরে switch থেকে সবচেয়ে দূরের টেবিল ৮৫ মিটার। ভবনের ভেতরে ১ Gbps আর ভবন দুটির মাঝে ১০ Gbps সংযোগ চাই। ১. প্রতিটি অংশে কোন মাধ্যম (কোন Cat কেবল, single-mode না multimode fiber) দেবে, আর কেন — প্রতিটি দূরত্বের সীমা কোন standard থেকে নিচ্ছ তা লেখো। ২. fiber অংশের power budget দেখাও: dB/km, connector আর splice-এর ক্ষতি কত ধরছ, আর margin কত থাকে। dB আর dBm আলাদা করে লেখো। ৩. যেসব সংখ্যা নিশ্চিত নও বা পণ্যভেদে বদলায়, সেগুলো আলাদা করে চিহ্নিত করো। ৪. হিসাব যাচাইয়ের জন্য একটি ছোট JavaScript কোড দাও।

AI-এর উত্তর হাতে পেলে — যাচাইয়ের চেকলিস্ট

ভাবনার প্রশ্ন

প্রতিটি প্রশ্ন নিয়ে নিজে কিছুক্ষণ ভাবুন — তারপর “→ উত্তর” চাপুন।

প্র ০১টেলিফোনের জন্য বানানো পেঁচানো তামার তার প্রায় দেড়শো বছর পরেও কীভাবে ১০ Gbps বহন করে? তামার কি সত্যিই শেষ সময় এসে গেছে?

Twisted pair-এর গল্প আসলে তারের নয়, তারের দুই মাথার বুদ্ধির গল্প। ১৮৮০-এর দশকে টেলিফোন লাইনে পেঁচানো জোড়া এসেছিল বৈদ্যুতিক ট্রাম আর টেলিগ্রাফ লাইনের গুঞ্জন কমাতে। কণ্ঠের জন্য দরকার ছিল মাত্র কয়েক kHz. সেই একই ধারণা — দুই তারে উল্টো সংকেত, পেঁচিয়ে নয়েজ সমান করা — আজ Cat6a-তে ৫০০ MHz পর্যন্ত টেনে নেওয়া হয়েছে।

উন্নতি এসেছে তিন দিক থেকে। তারের মান: পাকের হার আরও নিখুঁত, জোড়ার মাঝে প্লাস্টিকের বিভাজক, কখনো foil — যাতে উঁচু frequency-তে crosstalk কম থাকে; Category-গুলো আসলে এই মানের মাপকাঠি। সংকেত-প্রক্রিয়াকরণ: 1000BASE-T চার জোড়ায় একসাথে দুই দিকে পাঠায় — নিজের পাঠানো সংকেতের প্রতিধ্বনি গণিত দিয়ে বাদ দেয়; 10GBASE-T প্রতি সংকেতে কয়েক বিট বসায় আর পাশের জোড়ার crosstalk হিসাব করে বিয়োগ করে। দূরত্বে আপস: গতি যত বাড়ে, দূরত্ব তত কমে — Cat8-এ ৪০ Gbps মাত্র ৩০ m.

টেলিফোনের পুরোনো জোড়ায় ADSL আর VDSL একই কৌশলে কয়েক দশ Mbps পর্যন্ত এনেছিল, কিন্তু এক্সচেঞ্জ থেকে বাসার কয়েক km দূরত্বে গতি দ্রুত পড়ে যায়। তাই ISP-রা fiber-কে ক্রমশ বাসার কাছে আনছে — বাংলাদেশেও অনেক ISP ভবন পর্যন্ত fiber আর ভেতরে UTP দেয়, নতুন সংযোগে সরাসরি fiber.

তামা টিকে থাকবে শেষ কয়েক মিটারে: দেয়ালের ভেতরের তার বদলানো ব্যয়বহুল, RJ-45 সস্তা আর সর্বত্র, আর তামার তার দিয়ে বিদ্যুৎও পাঠানো যায় — PoE (Power over Ethernet) দিয়ে Wi-Fi access point, IP ক্যামেরা চলে আলাদা বিদ্যুৎ লাইন ছাড়াই। Fiber-এর এই সুবিধা নেই।

মূল উপলব্ধি: মাধ্যমের ক্ষমতা শুধু পদার্থে নয়, দুই প্রান্তের সংকেত-প্রক্রিয়াকরণেও; তামা দূরত্ব হারিয়েছে, কিন্তু দাম, বিদ্যুৎ আর সর্বব্যাপিতায় শেষ কয়েক মিটার এখনো তার দখলে।

প্র ০২১৯৬০-এর দশকে কাচে প্রতি km-এ আলোর বিশাল ক্ষতি হতো। কাচের সুতা কীভাবে পৃথিবীর যোগাযোগের মেরুদণ্ড হলো?

আলো দিয়ে যোগাযোগের ধারণা পুরোনো — Alexander Graham Bell ১৮৮০ সালে সূর্যের আলোয় কণ্ঠ পাঠানোর “photophone” বানিয়েছিলেন। কিন্তু খোলা বাতাসে আলো কুয়াশা আর বৃষ্টিতে হারিয়ে যায়। ১৯৬০ সালে laser আবিষ্কারের পর প্রশ্ন দাঁড়াল: আলোকে কোন নলে আটকে রাখা যায়? তখনকার কাচে ক্ষতি ছিল প্রতি km-এ এক হাজার dB-এর কাছাকাছি — অর্থাৎ কয়েক মিটারেই আলো প্রায় শেষ।

১৯৬৬ সালে Charles Kao আর George Hockham একটি গবেষণাপত্রে যুক্তি দেন, এই ক্ষতি কাচের মৌলিক ধর্ম নয় — অশুদ্ধি, বিশেষত লোহা আর অন্যান্য ধাতুর কণা। কাচ যথেষ্ট খাঁটি করা গেলে ক্ষতি প্রতি km-এ ২০ dB-এর নিচে নামবে, আর তখন fiber টেলিফোন-ব্যবস্থার জন্য ব্যবহারযোগ্য। অনেকে সন্দিহান ছিলেন। ১৯৭০ সালে Corning-এর গবেষকরা খাঁটি silica দিয়ে সেই সীমা পেরোনো fiber তৈরি করেন। পরের দশকগুলোতে ক্ষতি নামে ১৫৫০ nm-এ প্রায় ০.২ dB/km-এ — পদার্থবিজ্ঞানের সীমার কাছাকাছি। Kao ২০০৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।

তারপর আসে বাকি ধাপ: semiconductor laser, single-mode fiber, ১৯৮৮ সালে আটলান্টিকের নিচে প্রথম fiber কেবল TAT-8, ১৯৮০-এর দশকের শেষে EDFA, আর ১৯৯০-এর দশকে DWDM. প্রতিটি ধাপ ক্ষমতা কয়েক গুণ বাড়িয়েছে, অনেক সময় একই কেবলে শুধু দুই প্রান্তের যন্ত্র বদলে।

আজ একটি আধুনিক submarine cable-এর মোট ক্ষমতা অনেক Tbps, আর মোবাইল ডেটাও টাওয়ার থেকে (কখনো microwave link হয়ে) দ্রুতই fiber-এ ওঠে — বেতার মূলত শেষ ধাপ। বাংলাদেশের backbone আর আন্তর্জাতিক সংযোগও মূলত fiber-এ।

মূল উপলব্ধি: একটি প্রযুক্তি অসম্ভব থেকে অপরিহার্য হলো যখন কেউ বুঝলেন সমস্যাটা মৌলিক নয়, প্রকৌশলের — আর অশুদ্ধি কমানোর ধৈর্যশীল কাজ সেই যুক্তিকে সত্য প্রমাণ করল।

প্র ০৩সমুদ্রের নিচের কেবল কাটা পড়লে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ধীর হয়ে যায় — কেন? আর একটি কেবল কয়েক হাজার km চলে কীভাবে, মেরামতই বা হয় কীভাবে?

একটি submarine cable-এর ভেতরে মাত্র কয়েক জোড়া চুলের মতো fiber, চারপাশে শক্তির জন্য ইস্পাতের তার, বিদ্যুতের জন্য তামার স্তর আর পানিরোধী আবরণ; অগভীর পানিতে যেখানে মাছ ধরার জাল আর জাহাজের নোঙরের ঝুঁকি, সেখানে বাড়তি বর্ম। গভীর সমুদ্রে কেবল বেশ সরু।

হাজার km চলার রহস্য অংশ ৪-এর amplifier: প্রতি কয়েক দশ km পরপর একটি repeater-বাক্স, ভেতরে EDFA, যা সব WDM channel একসাথে জোরালো করে। এগুলো চালানোর বিদ্যুৎ তীরের স্টেশন থেকে কেবলের তামার স্তর দিয়ে হাজার হাজার ভোল্টে পাঠানো হয়। দশকের পর দশক মেরামত ছাড়া চলার জন্য repeater নকশা করা হয়, কারণ সমুদ্রতল থেকে তুলে আনা ব্যয়বহুল।

কেবল কাটে প্রধানত নোঙর, মাছ ধরার যন্ত্র আর সমুদ্রতলের ভূমিকম্প বা ভূমিধসে। মেরামতে বিশেষ জাহাজ যায়, কাটা জায়গা খুঁজে (তীর থেকে সংকেত পাঠিয়ে কোথায় প্রতিফলন হচ্ছে তা মেপে), দুই মাথা তুলে এনে জাহাজে নতুন অংশ splice করে আবার নামায়। জাহাজ পৌঁছানো, আবহাওয়া আর অনুমতির জন্য দিন থেকে সপ্তাহ লাগতে পারে।

ততদিন ট্রাফিক বিকল্প পথে যায় — দেশের দ্বিতীয় কেবল (কক্সবাজারের SEA-ME-WE 4 আর কুয়াকাটার SEA-ME-WE 5 পরস্পরের বিকল্প), আর স্থলপথে প্রতিবেশী দেশ হয়ে আসা কেবল (ITC). বিকল্পের ক্ষমতা কম হলে পর্ব ০৪-এর statistical multiplexing-এর হিসাব উল্টে যায় — চাহিদা ক্ষমতা ছাড়ায়, সারি বাড়ে, গতি পড়ে। পুরো বন্ধ না হয়ে ধীর হওয়াটাই packet switching আর বহুপথের সুফল। নতুন আন্তর্জাতিক কেবলে যুক্ত হওয়ার উদ্যোগের খবরও আছে; বিস্তারিত সংখ্যা সময়ের সাথে বদলায়, তাই BSCPLC বা BTRC-র সাম্প্রতিক তথ্য দেখুন।

মূল উপলব্ধি: ইন্টারনেটের স্থিতিশীলতা মাধ্যমের মান যতটা, তার চেয়ে বেশি বিকল্প পথের সংখ্যা আর তাদের ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে।

প্র ০৪এক হলিউড অভিনেত্রীর frequency hopping-এর patent থেকে CDMA পর্যন্ত — আর এত সুন্দর গণিত থাকতেও 4G আর 5G কেন CDMA ছেড়ে OFDMA নিল?

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় অভিনেত্রী Hedy Lamarr আর সুরকার George Antheil টর্পেডোর রেডিও-নিয়ন্ত্রণ যাতে শত্রু জ্যাম করতে না পারে, সেজন্য একটি frequency hopping ব্যবস্থার patent পান (১৯৪২) — প্রেরক ও গ্রাহক একই গোপন ক্রমে frequency বদলাবে, পিয়ানো-রোলের মতো যন্ত্র দিয়ে মেলানো। তখন এটি ব্যবহার হয়নি, তবে spread spectrum-এর ইতিহাসে গল্পটি বিখ্যাত। পরে সামরিক যোগাযোগে spread spectrum ব্যাপক হয়, আর ১৯৮৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের FCC ISM band-এ লাইসেন্স ছাড়া spread spectrum ব্যবহারের অনুমতি দেয় — যা Wi-Fi আর Bluetooth-এর পথ খুলে দেয়।

১৯৯০-এর দশকে Qualcomm দেখায় যে DSSS-ভিত্তিক CDMA মোবাইলে বেশি গ্রাহক ধরাতে পারে: সব cell একই frequency ব্যবহার করতে পারে, কেউ চুপ থাকলে অন্যদের হস্তক্ষেপ নিজে থেকেই কমে, আর “soft handover”-এ ফোন একসাথে দুই টাওয়ারের সাথে যুক্ত থাকতে পারে। 3G-র WCDMA এই ধারণায় দাঁড়িয়ে।

কিন্তু বাস্তবে সমস্যা দুটি। Near-far problem: টাওয়ারের কাছের ফোনের সংকেত দূরের ফোনের চেয়ে বহু গুণ জোরালো; অর্থোগোনালিটি নিখুঁত না হলে কাছেরজন দূরেরজনকে ঢেকে দেয়। তাই প্রতিটি ফোনের শক্তি সেকেন্ডে শত শত বার সমন্বয় করতে হয় (power control). Multipath: প্রতিধ্বনি দেরিতে আসায় code-গুলো আর পুরো অর্থোগোনাল থাকে না, আর band যত চওড়া (বেশি গতি), এই সমস্যা তত কঠিন।

OFDMA band-কে শত শত সরু উপ-channel-এ ভাগ করে; প্রতিটি উপ-channel ধীর, তাই প্রতিধ্বনি বিটে কম মেশে, আর scheduler কোন ব্যবহারকারী কোন উপ-channel আর কোন সময়-টুকরো পাবে তা ঠিক করে — FDM আর TDM-এর আধুনিক মিলন। MIMO-র সাথেও এটি সহজে মেলে।

মূল উপলব্ধি: গণিতে নিখুঁত কৌশলও বাস্তব মাধ্যমের অপূর্ণতায় হার মানতে পারে; প্রকৌশলের বিচার হয় চ্যানেলের আসল আচরণ দিয়ে, কাগজের অর্থোগোনালিটি দিয়ে নয়।

প্র ০৫Unlicensed band-এ লাইসেন্স লাগে না, তবু Wi-Fi পৃথিবী জয় করল — অথচ মোবাইল অপারেটররা spectrum-এর জন্য বিপুল টাকা দেয়। দুই মডেলের সুবিধা-অসুবিধা কী?

২.৪ GHz-এর ISM band মূলত যোগাযোগের জন্য রাখা হয়নি — microwave oven, শিল্প ও চিকিৎসার যন্ত্রের মতো “গোলমেলে” কাজের জন্য, যেখানে লাইসেন্স দিয়ে নিয়ন্ত্রণের দরকার ছিল না। ১৯৮৫ সালের FCC-র সিদ্ধান্তের পর নির্মাতারা নিয়ম মেনে (শক্তিসীমা, spread spectrum) কারও অনুমতি ছাড়াই যন্ত্র বিক্রি করতে পারল। ফলাফল: প্রবেশের বাধা প্রায় শূন্য, তাই উদ্ভাবন বিস্ফোরিত — ১৯৯৭ সালে প্রথম 802.11, তারপর একের পর এক প্রজন্ম, আর কোটি কোটি সস্তা router.

দাম কোথায়? “Tragedy of the commons” — সবাই ব্যবহার করতে পারে বলে কেউ মানের নিশ্চয়তা পায় না। ঢাকার ঘনবসতিপূর্ণ ভবনে কুড়িটি router একই তিনটি channel ভাগ করে, Bluetooth আর microwave oven-ও সেখানে। Wi-Fi তাই ভদ্র আচরণের নিয়ম মেনে চলে: আগে শোনা, তারপর পাঠানো (CSMA/CA, পর্ব ১১)। ৫ GHz-এ রাডারের সাথে সহাবস্থানের জন্য DFS (রাডার শুনলে channel ছেড়ে দেওয়া) বাধ্যতামূলক অনেক দেশে।

Licensed মডেল: মোবাইল অপারেটর নিলামে নির্দিষ্ট band কিনে একচেটিয়া ব্যবহার করে — বাংলাদেশেও BTRC বিভিন্ন সময়ে 4G ও 5G-র band নিলাম করেছে। এতে অপারেটর পুরো দেশজুড়ে পরিকল্পিত নেটওয়ার্ক বানাতে পারে, শক্তি বেশি রাখতে পারে, হস্তক্ষেপ আইনিভাবে নিষিদ্ধ — তাই মান নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। দাম: নিলামের বিশাল খরচ শেষ পর্যন্ত গ্রাহকের প্যাকেজের দামে আসে, আর ছোট উদ্যোক্তা ঢুকতে পারে না।

দুই মডেল এখন মিশছে — যেমন Wi-Fi calling, আর কিছু দেশে অপারেটরদের unlicensed band-এ বাড়তি ক্ষমতা নেওয়া।

মূল উপলব্ধি: spectrum-নীতি প্রযুক্তির মতোই গুরুত্বপূর্ণ — খোলা নিয়ম উদ্ভাবন আর সস্তা যন্ত্র আনে, একচেটিয়া লাইসেন্স নিশ্চয়তা আর পরিকল্পনা আনে; ভালো নেটওয়ার্ক দুটোকেই কাজে লাগায়।

অনুশীলন

খাতা-কলম নিয়ে বসুন — হিসাবগুলো হাতে করে তারপর উত্তর মেলান।

  1. হাতে হিসাব (TDM): ৫টি উৎস, প্রত্যেকে ১৬ kbps. Synchronous TDM-এ প্রতি slot-এ প্রতিটি উৎসের ২ বিট, আর প্রতি frame-এ ১টি framing বিট। বের করুন: (ক) প্রতি সেকেন্ডে কতটি frame (খ) frame-এর আকার (গ) link-এর হার (ঘ) frame-এর দৈর্ঘ্য (ঙ) link-এ একটি বিটের সময়।

    (ক) প্রতি frame-এ প্রতিটি উৎস ২ বিট দেয়, উৎস দেয় সেকেন্ডে ১৬,০০০ বিট → ১৬,০০০ ÷ ২ = ৮,০০০ frame/s.

    (খ) ৫ × ২ + ১ = ১১ বিট.

    (গ) ১১ × ৮,০০০ = ৮৮ kbps (৫ × ১৬ = ৮০ kbps ডেটা + ৮ kbps framing).

    (ঘ) ১ ÷ ৮,০০০ s = ১২৫ μs.

    (ঙ) ১ ÷ ৮৮,০০০ s ≈ ১১.৩৬ μs. যাচাই: ১১ বিট × ১১.৩৬ μs ≈ ১২৫ μs. tdm_calc.js-এ tdm("5-src", 5, 2, 1, 8000); লাইন যোগ করলে একই উত্তর আসবে।

  2. আউটপুট অনুমান করুন: অংশ ৯-এর cdma_walsh.js-এ B-র লাইন বদলে B: { code: W[2], bits: [1, 1, 1] } করা হলো (বাকি সব একই)। bit 1 আর bit 2-এর লাইন দুটিতে কী ছাপা হবে?

    বিট ১: A = +1 → [+1 −1 +1 −1], B = +1 → [+1 +1 −1 −1], C = +1 → [+1 −1 −1 +1]; যোগফল [+3 −1 −1 −1]. বিট ২: A = −1 → [−1 +1 −1 +1], B = +1 → [+1 +1 −1 −1], C = +1 → [+1 −1 −1 +1]; যোগফল [+1 +1 −3 +1]:

    bit 1 channel [+3 -1 -1 -1] -> A=1 (1)  B=1 (1)  C=1 (1)
    bit 2 channel [+1 +1 -3 +1] -> A=0 (-1)  B=1 (1)  C=1 (1)

    প্রতিটি decode-এ dot product ±৪ — B-র নতুন বিট ঠিক উদ্ধার হলো, A আর C-র ফল একটুও বদলায়নি: অর্থোগোনালিটির শক্তি।

  3. Budget-এর সিদ্ধান্ত: অংশ ৪-এর FTTH লাইনটিতে ISP এখন ১:৬৪ splitter (ধরুন ২০.৫ dB) বসাতে চায় আর দূরত্ব হবে ২০ km (০.৩৫ dB/km); connector ও splice আগের মতো (মোট ২.৬ dB), transmitter ৩ dBm, receiver-এর ন্যূনতম −২৮ dBm. Margin কত? নকশাটি কি নিরাপদ? আর বেতারে: ৫ GHz-এ ৫০ m দূরত্বে FSPL কত (অংশ ৬-এর টেবিল থেকে, নতুন করে log না কষে)?

    Fiber: ২০ × ০.৩৫ = ৭.০ + ২০.৫ + ২.৬ = ৩০.১ dB; গ্রাহকে ৩ − ৩০.১ = −২৭.১ dBm, margin মাত্র ০.৯ dB. কাগজে চলে, বাস্তবে নয় — একটি নোংরা connector-এই লাইন বন্ধ। সমাধান: ১:৩২ split, বেশি শক্তির optics, বা OLT কাছে আনা।

    বেতার: ৫ GHz-এ ১০০ m-এ ৮৬.৪৩ dB; দূরত্ব অর্ধেক মানে ৬.০২ dB কম → ≈ ৮০.৪১ dB.

  4. মাধ্যম বেছে নিন: প্রতিটি ক্ষেত্রে কোন মাধ্যম দেবেন, এক লাইনে কারণসহ — (ক) অফিসের switch থেকে ৭০ m দূরের টেবিলে ১ Gbps (খ) একই ক্যাম্পাসে দুটি ভবন, মাঝে ১.৫ km, ১০ Gbps (গ) নদীর ওপারের চরে একটি স্কুল, ৮ km, তার টানা অসম্ভব (ঘ) data center-এ একই র‍্যাকের দুটি সার্ভার, ২ m, ২৫ Gbps (ঙ) Linux সার্ভারে link ১ Gbps-এ চলছে কি না দেখার কমান্ড।

    (ক) Cat5e বা Cat6 UTP — ১০০ m-এর মধ্যে, সস্তা।

    (খ) Single-mode fiber — multimode-এ ১০ Gbps কয়েকশো মিটারেই সীমিত; তামা ১০০ m.

    (গ) দুই তীরে উঁচু টাওয়ারে point-to-point microwave link, পরিষ্কার line of sight-সহ।

    (ঘ) ছোট direct-attach কপার কেবল (DAC) বা Cat8 — ৩০ m-এর মধ্যে সস্তা।

    (ঙ) cat /sys/class/net/eth0/speed (interface-এর নাম ip link দিয়ে দেখে নিন) বা ethtool eth0 — Speed: 1000Mb/s আর Duplex: Full দেখার কথা।

নিজেকে যাচাই করুন

ভুল হলে কারণসহ ব্যাখ্যা পাবেন, আবার চেষ্টাও করতে পারবেন।

ক্রমCDMA-তে একটি বিট পাঠানো থেকে উদ্ধার পর্যন্ত ধাপগুলো সঠিক ক্রমে সাজান (▲▼ চেপে সরান)

  1. প্রতিটি স্টেশনকে আলাদা অর্থোগোনাল code (যেমন Walsh code) দেওয়া হয়
  2. স্টেশন বিটকে +১ বা −১ বানিয়ে নিজের code দিয়ে গুণ করে chip-ক্রম বানায়
  3. সব স্টেশনের chip একই সময়ে চ্যানেলে যোগ হয়ে যায়
  4. গ্রাহক মোট সংকেতের সাথে প্রেরকের code-এর dot product নেয়
  5. ফলকে code-দৈর্ঘ্য দিয়ে ভাগ করে চিহ্ন দেখে বিট ঠিক করে

একটি TDM লাইনে ২৪টি কণ্ঠ-channel, প্রতিটির জন্য প্রতি frame-এ ৮ বিট, প্রতি frame-এ ১টি framing বিট, আর প্রতি সেকেন্ডে ৮,০০০টি frame. লাইনের হার কত?

  • ১.৫৩৬ Mbps
  • ২.০৪৮ Mbps
  • ১.৫৪৪ Mbps
  • ৬৪ kbps

FDM-এ ৫টি channel বসাতে হবে, প্রতিটি ১০০ kHz চওড়া, আর পাশাপাশি দুটি channel-এর মাঝে ১০ kHz guard band. ন্যূনতম কত bandwidth লাগবে?

  • ৫০০ kHz
  • ৫৪০ kHz
  • ৫৫০ kHz
  • ৬০০ kHz

একটি optical fiber-এর core-এর প্রতিসরাঙ্ক ১.৪৮ আর cladding-এর ১.৪৬. আলো core-এর ভেতরে আটকে থাকার শর্ত কোনটি?

  • cladding-এর প্রতিসরাঙ্ক core-এর চেয়ে বেশি হতে হবে
  • core-এর দেয়ালে আপতন কোণ যত ছোট, তত ভালো
  • core-এর চারপাশে ধাতব আয়নার স্তর থাকতে হবে
  • core-এর দেয়ালে আপতন কোণ critical angle (প্রায় ৮০.৬°)-এর চেয়ে বড় হতে হবে

CDMA-তে স্টেশন X-এর code [+1 −1 +1 −1]. চ্যানেলে মোট সংকেত পাওয়া গেল [+1 −3 +1 +1] (বিট 1 = +1, বিট 0 = −1). X কোন বিট পাঠিয়েছে?

  • বিট 1
  • বিট 0
  • X চুপ ছিল
  • অন্যদের code না জানলে বলা যাবে না

একটি অফিস twisted-pair কেবলে ৯০ m দূরত্বে 10GBASE-T (১০ Gbps) চালাতে চায়। প্রচলিত TIA standard অনুযায়ী ন্যূনতম কোন category দরকার?

  • Cat5e
  • Cat6
  • Cat6a
  • Cat8

খোলা জায়গায় ২.৪ GHz-এ ১০০ m দূরত্বে free-space path loss প্রায় ৮০ dB. একই frequency-তে ২০০ m দূরত্বে তা মোটামুটি কত হবে?

  • ১৬০ dB
  • প্রায় ৮৬ dB
  • প্রায় ৮৩ dB
  • প্রায় ১০০ dB

শব্দকোষ

লেখার মধ্যে ডটেড দাগ দেওয়া শব্দে মাউস রাখুন বা চাপুন — অর্থ দেখাবে। এই পর্বের সব নতুন শব্দ এখানে একসাথে:

মনে রাখুন

  1. Guided (twisted pair, coaxial, fiber) আর unguided (রেডিও, microwave, infrared, উপগ্রহ); বিচার করুন bandwidth, attenuation, নয়েজ আর খরচ দিয়ে। ক্ষতি dB-তে যোগ হয়, dBm থেকে dB বিয়োগ।
  2. Twisted pair: পেঁচানো + differential = নয়েজ বাতিল; Ethernet-এ ১০০ m; Cat6a-তে ১০ Gbps পুরো ১০০ m; Auto-MDI-X-এ crossover-এর ঝামেলা প্রায় শেষ।
  3. Fiber: ncore > ncladding, আপতন কোণ > θc = sin−1(n2/n1); single-mode-এ modal dispersion নেই, ক্ষতি ~০.২–০.৩৫ dB/km; FTTH-এ OLT → splitter → ONT.
  4. বেতার: FSPL = 20·log10(4πdf/c) — দূরত্ব দ্বিগুণে +৬ dB; সাথে multipath আর fading; licensed বনাম unlicensed (২.৪/৫/৬ GHz) band.
  5. Multiplexing: FDM (guard band), synchronous TDM (T1 = ১৯৩ × ৮,০০০ = ১.৫৪৪ Mbps, E1 = ২.০৪৮ Mbps), statistical TDM (ঠিকানাসহ slot), WDM (রং), CDMA (অর্থোগোনাল code, dot product ÷ দৈর্ঘ্য)।

পরের পর্বে: মাধ্যম যত ভালোই হোক, নয়েজ আর fading কিছু বিট উল্টে দেবেই। গ্রাহক কীভাবে বুঝবে যে ভুল হয়েছে — আর কখনো কখনো নিজেই ঠিক করে নেবে? Parity, checksum, CRC-র ভাগ আর Hamming code.

আরও পড়ুন · ABCL TECH-এ আপনার পরবর্তী পদক্ষেপ

এই পর্বটি শেয়ার করুন:
এই পর্বে ভুল পেয়েছেন? জানান